২৭ মে ২০২০


লোভাছড়ায় আসছে পাথরবাহী নৌযান

শেয়ার করুন

কানাইঘাট প্রতিনিধি : সিলেটের কানাইঘাট লোভাছড়া পাথর মহালে কয়েক’শ কোটি টাকার পাথর মজুদ করে রাখা হয়েছে। লোভা ও সুরমা নদীতে জোয়ার নামার পর এসব মজুদকৃত পাথর ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে কিনে দেশের বড় বড় পাথর সাপ্লাইয়ার্স প্রতিষ্ঠান নদীপথে লক্ষ লক্ষ ঘনফুট পাথর দেশের বিভিন্ন এলাকায় লঞ্চ, স্টীমার, বলগেট, কার্গো যোগে নিয়ে যান।

সম্প্রতি সময়ে উজান নেমে আসা পাহাড়ী ঢলে লোভা ও সুরমা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় করোনার এ মহাদুর্যোগকালীন সময়ে পাথর ব্যবসায়ীরা নৌকায় পাথর উত্তোলনের জন্য সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে শ্রমিকদের কোয়ারী এলাকায় জড়ো করায় সচেতন মহলে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

অনেকে বলেছেন, ব্যবসায়ীরা পাথর বিক্রি করবেন এতে বাঁধার কিছু নেই। কিন্তু যখন করোনা সারাদেশে মহামারী হিসেবে ছড়িয়ে পড়েছে, কানাইঘাটে অনেকে করোনায় আক্রান্ত হচ্ছেন; ঠিক সেই মুহূর্তে লোভাছড়া পাথর কোয়ারীতে দেশের বিভিন্ন এলাকা পাথর শ্রমিকদের জড়ো করলে এলাকায় করোনার ঝুঁকি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেতে পারে।

এদিকে বড় বড় পাথর ব্যবসায়ীরা সরকারী বিধি নিষেধ না মেনে ইতোমধ্যে লঞ্চ, স্টীমার ও কার্গোতে পাথর বোঝাই শুরু করেছেন এবং ঢাক, নারায়ণগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, ভৈরব, ভোলা, সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বড় বড় পাথর বহনকারী নৌযান আসতে শুরু করেছে। এতে করে এলাকার মানুষের মধ্যে করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সচেতন মহল মনে করেন, করোনার প্রাদুর্ভাবের পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কোয়ারী এলাকা পাথর শ্রমিক জড়ো করা বা পাথর বিক্রি থেকে বিরত থাকা উচিত ব্যবসায়ীদের।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বারিউল করিম খানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেন নি।

তবে কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শামসুদ্দোহা পিপিএম জানান- বিষয়টি এখনও তিনি জানে না। তবে খবর নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেবেন।

শেয়ার করুন