৩ এপ্রিল ২০২০
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : জ্বর-সর্দি-কাশিতে মারা যাওয়া গার্মেন্টসকর্মী জহিরুলের (২২) সৎকার কাজে সংশ্লিষ্ট ৭ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে পাঠিয়েছে সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন।
বৃহস্পতিবার রাতে জেলার তাহিরপুর উপজেলার মাহতাবপুর গ্রামের গোরস্থানে জহিরুলের দাফন শেষে সংশ্লিষ্টদের কোয়ারেন্টিনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
জহিরুলের পরিবার সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে চাকরি করতেন জহিরুল। কয়েকদিন আগে জ্বর-সর্দি-কাশি দেওখা দেওয়ায় তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। বুধবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তার মৃত্যু হয়। পরে গার্মেন্টসের সহকর্মীরা বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গ্রামের বাড়িতে জহিরুলের মরদেহ নিয়ে যান। সেখানেই ধর্মীয় বিধিতে একটি গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
পরবর্তী সময়ে জানাজানি হলে তাহিরপুর থানা পুলিশ ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা মাহতাবপুর গ্রামে যান এবং যারা জহিরুলকে গাজীপুর থেকে তার গ্রামের বাড়িতে নিয়েছেন ও লাশ ধোয়ানোর কাজে সংশ্লিষ্ট ছিলেন তাদের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. ইকবাল হোসেন বলেন, সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে ঢাকায় যোগাযোগ করেছি। তারা নির্দেশনা দিয়েছেন যে, যারা সেখান থেকে জহিরুলের মরদেহ এনেছেন এবং ধোয়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন তাদের সবাইকে আগামী দুই সপ্তাহ হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বিজেন ব্যানার্জী বলেন, আমি এ বিষয়ে অবহিত হওয়ার পর তাহিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাকে জানাই। তারা সংশ্লিষ্টদের ১৪ দিনের হোম কোয়ারেন্টিনে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।