১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
আদালত প্রতিবেদক : ওসমানীনগরে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের মামলায় তিন জনকে দশ বছরের সশ্রম কারাদ-, একই সাথে তাদের প্রত্যেককে ৫০হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরো ২ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছে- হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জের প্রজান্তপুর গ্রামের মৃত ইলিয়াস মিয়ার ছেলে জাকির হোসেন (২৮), একই থানার লালাপুর গ্রামের মৃত মনির হোসেনের ছেলে মো: দিলদার হোসাইন (৪২) ও সিলেটের ওসমানীনগর থানার পূর্ব তাজপুর গ্রামের মৃত হাসিম উল্যার ছেলে রুমেল আহম্মদ (৩২)।
বৃহস্পতিবার সিলেটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক এ. এম. জুলফিকার হায়াত এই রায় দেন। রায় ঘোষণার সময় রুমেল আহম্মদ আদালতের উপস্থিত ছিল। বাকি দুই আসামী পলাতক রয়েছে।
মামলার সংক্ষিপ্ত বিবরণে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১০ এপ্রিল রাত সোয়া ৭ টার দিকে র্যাব-৯’র একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওসমানীনগর থানার সৈয়দপুর গ্রামের আব্দুর রহিম মোল্লার বিল্ডিং এর গেইটের সামনে অভিযান চালিয়ে মাদক বিক্রেতা রুমেল আহম্মদ, জাকির হোসেন ও দিলদার হোসাইনকে গ্রেফতার করে।
এ সময় তাদের কাছ থেকে ২ লাখ ৯৮ হাজার টাকা দামের ৭৪৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে। এ ব্যাপারে র্যাব-৯’র এসআই (নি:) শুভ্র মুকুল চৌধুরী বাদী হয়ে ধৃত ৩ আসামীদের বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রন আইনে ওসমানীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। নং- ৩ (১১-০৪-১৬)।
দীর্ঘ তদন্ত শেষে একই বছরের ১০ মে সিলেট সিআইডি জোনের পুলিশ পরিদর্শক মো: আব্দুল আহাদ ৩ মাদক বিক্রেতাকে অভিযুক্ত কলে আদালতে এ মামলার চার্জশিট (অভিযোগপত্র) দাখিল করেন ত্রবং একই বছরের ২৮ আগষ্ট থেকে আদালত এ মামলার বিচারকায্য শুরু করেন।
দীর্ঘ শুনানী ও ৯ সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত আসামী রুমেল আহম্মদ, জাকির হোসেন ও দিলদার হোসাইনকে ১৯৯০ সনের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ১৯ (১) টেবিল ৯ (খ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাদের প্রত্যেককে উল্লেখিত দন্ডাদেশ প্রদান করেন। রাষ্ট্রপক্ষে অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট নিজাম উদ্দিন ও আসামীপক্ষে এডভোকেট জয়শ্রী দাস জয়া মামলাটি পরিচালনা করেন।
(আজকের সিলেট/১৪ এপ্রিল/ডি/এমকে/ঘ.)