২০ মার্চ ২০২০
ক্রীড়া ডেস্ক : আইপিএল হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা অব্যাহত। এপ্রিলেই সম্ভবত আইপিএলের ভবিষ্যৎ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড। যদি আইপিএল না হয়, তা হলে বোর্ড থেকে শুরু করে সম্প্রচারকারী সংস্থা, স্পনসর, ফ্র্যাঞ্চাইজি— সবারই বিপুল আর্থিক ক্ষতি হবে। ক্ষতি হবে ক্রিকেটারদেরও।
দেখে নেওয়া যাক ক্রিকেটারদের মধ্যে কার কত ক্ষতি।
বিরাট কোহালির ক্ষতি হবে সবচেয়ে বেশি। আইপিএল না হলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের অধিনায়ক হারাবেন প্রায় ১৭ কোটি টাকা। কোনও ক্রিকেটারকে ধরে রাখার সর্বাধিক মূল্যের চেয়েও কোহালিকে দুই কোটি টাকা বেশি দেয় আরসিবি।
কোহালি এখনও পর্যন্ত আইপিএলে শুধু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েই খেলেছেন। ২০০৮ সালের প্রথম আইপিএল থেকেই তিনি আরসিবির হয়ে খেলছেন। কিন্তু, এখনও পর্যন্ত এক বারও আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়নি তার দল। এই মরসুমে ট্রফি জেতার জন্য মরিয়া ছিলেন কোহালিরা।
প্যাট কামিন্স গত ডিসেম্বরে হওয়া নিলামে সাড়ে ১৫কোটি টাকায় এসেছিলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। টাকার অঙ্ক চমকে দিয়েছিল ক্রিকেটপ্রেমীদের। এখন আইপিএল না হলে তার ক্ষতিও বিশাল হতে চলেছে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার অবশ্য আইপিএল হলেও কতটা খেলতে পারতেন, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে।
মহেন্দ্র সিংহ ধোনি হলেন চেন্নাই সুপার কিংসের মুখ। আইপিএল না হলে তার ক্ষতি হবে ১৫ কোটি টাকা। তবে আর্থিক ক্ষতির চেয়েও বড় ক্ষতি হবে ধোনির কেরিয়ারের। তার জাতীয় দলে ফেরার বিষয়টি আইপিএলে পারফরম্যান্সের সঙ্গে জড়িত বলে মনে করা হচ্ছিল।
রোহিত শর্মা হলেন আইপিএলের সফলতম ক্যাপ্টেনদের অন্যতম। চার বার তার নেতৃত্বে আইপিএলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। আইপিএল না হলে হিটম্যানেরও ক্ষতি হবে ১৫ কোটি টাকা। ২০১৮ সালের নিলামের আগে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স ধরে রেখেছিল তাকে।
বেন স্টোকস হলেন এই সময়ে বিশ্বের অন্যতম সেরা অলরাউন্ডার। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডার ২০১৮ সালের নিলামে সাড়ে ১২ কোটি টাকায় নিয়েছিল রাজস্থান রয়্যালস। সেই থেকে রাজস্থানেই রয়েছেন তিনি। তার এক বছর আগে অবশ্য নিলামে স্টোকসের দর উঠেছিল সাড়ে ১৪ কোটি টাকা। তবে এই বছর আইপিএল না হলে ইংল্যান্ডকে বিশ্বকাপ জেতানো ক্রিকেটারের ক্ষতি হবে সাড়ে বারো কোটি টাকা।