২৬ ডিসেম্বর ২০১৯
নিজস্ব প্রতিবেদক : নগরীর সোবহানীঘাট এলাকায় ট্রাফিক পুলিশ কর্তৃক এক ট্রাকচালককে মারধরের প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ করেছেন ট্রাক ও পিকআপ ভ্যান শ্রমিকরা। এতে ওই সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়ক বন্ধ থাকায় যানজট ছড়িয়ে পড়ে শহরজুড়ে। পরে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে পুলিশ ও পরিবহন শ্রমিকদের মধ্যস্থতায় অবরোধ তুলে নেন পরিবহন শ্রমিকরা।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সড়ক অবরোধ করেন তারা।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, বিকেল ৩টার দিকে সিলেট নগরের সোবহানীঘাট পয়েন্টে নাসিরউদ্দিন নামের এক ট্রাকচালকের সঙ্গে দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য কাজলের কথা কাটাকাটি হয়।
ট্রাফিক পুলিশ সদস্য কাজলের ভাষ্য, থামানোর সিগন্যাল দেয়ায় চালক নাসির উদ্দিন আমার পায়ের ওপর ট্রাকের চাকা তুলে দেন। এ নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে হাতাহাতি হয়।
ট্রাকচালক নাসির উদ্দিনের ভাষ্য, কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে ট্রাফিক পুলিশ সদস্য কাজল আমাকে মারধর শুরু করেন। আমাকে মারতে মারতে সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ভেতরে নিয়ে যান তিনি।
এদিকে, ট্রাক চালককে মারধরের খবর পেয়ে ট্রাক-পিকআপ ভ্যান শ্রমিকরা জড়ো হয়ে সোবহানীঘাট এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। এ সময় সোবহানহানীঘাট-শাহজালাল সেতু সড়কের বিভিন্ন স্থানে পিকআপ আড়াআড়ি করে রেখে সড়ক অবরােধ করেন তারা। কিছুক্ষণের মধ্যে এই সড়কসহ আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। যানজটে আটকা পড়ে কয়েকশ গাড়ি।
যানজট ও শ্রমিক বিক্ষোভের খবর পেয়ে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ঘটনাস্থলে আসেন মহানগর উপপুলিশ কমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ। তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পরিবহন শ্রমিকরা।
পরে উপপুলিশ কমিশনার দুই পক্ষের বক্তব্য শুনে তদন্ত সাপেক্ষে দোষী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিলে পরিবহন শ্রমিকরা শান্ত হন। সেই সঙ্গে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে অবরোধ তুলে নেন তারা।