৩০ আগস্ট ২০১৭


স্থিতিশীল নগরীর মশলার বাজার

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে অনেকটা সরগরম ছিল গরম মশলার বাজার। প্রায় সকল পন্যের দামই কেজি প্রতি প্রায় ১৫ থেকে ২০ টাকা করে বেড়েছিল। তবে এই সপ্তাহে বেঁচাকেনা কম থাকায় দাম অনেকটা কমেছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। তবে পাইকারি বাজারে দাম কমলেও খুচরা বাজারের দাম এখনও স্থিতীশীল রয়েছে। প্রতি পণ্যে কেজি প্রতি ১৫ থেকে ২০ টাকা লাভে বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।

নগরীর সবচেয়ে বড়ো পাইকারি বাজার কালিঘাটসহ বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, পাইকারি বাজারে রসুন বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা দরে, আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা করে। পিয়াজের দাম কমেছে কেজি প্রতি ২২ টাকা করে। পাইকারি বাজারে পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা করে। তবে চায়না আদাম একটু দাম বেশী। চায়না আদা পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা এবং খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১১৫টাকায় এদিকে চায়না রসুন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায় এবং খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকায়।

এদিকে বর্তমানে প্রতিকেজি জিরা বিক্রি হয়েছে দোকান ভেদে ৩৬০ থেকে ৩৮০ টাকা দরে যা আগের সপ্তাহে দাম ছিল ৩৮০ থেকে ৪৫০ টাকা । দারুচিনি বিক্রি হচ্ছে ২৩০ টাকা দরে যা গত সপ্তাহে দোকান ভেদে বিক্রি হয়েছে ৩২০ থেকে ৩৬০ টাকা দরে। লবঙ্গ বিক্রি হয়েছে এক হাজার টাকায় যা আগের সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে এক হাজার ৫০০ টাকায়। এলাচি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪শ টাকায় যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকায়।

জেলা বাজার কর্মকর্তা শাহ মোহাম্মদ মুর্শেদ কাদের জানান, দেশে কোনো গরম মসলা উৎপাদন না হওয়ায়, পুরোটাই আমদানি নির্ভর। ব্যবসায়ীদের মতে, ঝড়-বৃষ্টি-বন্যা যাইহোক, ঈদ কেন্দ্রিক মসলার বাজার বেশ জমে উঠে। এ বছরও তাই তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। অন্যান্য বছর এমন সময় গরম মসলার বাজার বেশ চড়া হয়ে গেলেও এ বছর দাম বেশ সহনশীলই আছে।

তিনি আরও জানান, ঈদ কে সামনে রেখে প্রতিবছরই গরম মসলার দাম কিছুটা বাড়ে। এই দাম বাড়ার পিছনে আসলে পাইকারি বাজারের ব্যবসায়ীদের কোন হাত নেই মূলত দাম বাড়ায় আমদানীকারক সংস্থারা। আর এ বছর সারাদেশে বন্যা কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। এই সুযোগে কিছু অসাধু ব্যবাসায়ী সিন্ডিকেট বেশি মুনাফার আশায় দাম বাড়িয়েছিল।

 

(আজকের সিলেট/৩০ আগষ্ট/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন