২২ মে ২০১৯


বেপরোয়া ওসি আক্তার

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট

সিলেট : কিছু সংখ্যক রাজনীতিবীদদের কতিত আত্মীয়দের শেল্টারে বেপরোয়া মেট্রোপলিটন পুলিশের শাহপরান (রহ.) থানার ওসি আক্তার হোসেন। সেই খুঁটির জোরে পুলিশী নীতি আদর্শকে এড়িয়ে চড়ি ঘুরাচ্ছেন ওসির চেয়ার। ঘুরে ফিরে ফিরে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের থানা গুলোতেই বিচরন করেছেন তিনি।

চাকুরী জীবেনর আগে বিএনপি রাজনীতির সাথে জড়িত থাকলেও ভরা সুখে বহাল তবিয়তে রয়েছেন আওয়ামীলীগ সরকারের আমলেও। নিজকে জাহির করেন সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের আত্মীয় হিসেবে। সেকারনে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষও চোখ তার ব্যাপারে রহস্যজনক নির্লিপ্ত। রাজনীতিক আত্মীয়দের প্রভাবে নিজ পুলিশ বিভাগেই আলাদা এক ক্ষমতাবান তিনি।

সেবা-পুলিশের ধর্ম। কিন্তু তার কর্ম পুলিশী নীতি আদর্শদের সাথে প্রশ্নবিদ্ধ। তার ব্যাপারে মানুষের পরিচয়, অমুক নেতার খাস লোক তিনি (ওসি আক্তার)। বালাগঞ্জ, নবীগঞ্জ, মোগলবাজার, এয়ারপোর্ট সহ যেখানের তিনি দ্বায়িত্ব পালন করেছেন সেখানেই তার বিরুদ্ধে রয়েছে বিস্তর অভিযোগ। দীর্ঘদিন থেকে মেট্রোপলিটন এলাকায় অবস্থান করার কারনে সুবিধাভোগী নেটওয়ার্ক নির্ভর হয়ে পড়েছেন ওসি আক্তার। সেই নেটওয়ার্ক কৌশলে অস্ত্র হিসেবে শক্তি প্রয়োগে ব্যবহার করছে ওসি আক্তারকে।

ফলশ্রুতিতে নিজের চেয়ার রক্ষায়, শক্তের ভক্ত হয়ে পুলিশী চরিত্র হারিয়ে সুবিধাভোগদের সেবাদাসে পরিণত হয়েছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন করে অপসারনের দাবীতে সোচ্চার এখন স্থানীয় খাদিমপাড়াবাসী। একই সাথে এক আমেরিকা প্রবাসী পুলিশ সিকিউরিটি সেলে ভূমি দখলবাজিতে সহযোগিতা ঘটনায় অভিযোগ করেছেন ওসি আক্তারের বিরুদ্ধে। এছাড় শাহপরান (রহ.) থানায় রহস্যজনকভাবে ভূয়া অভিযোগে তদন্ত ছাড়াই মামলার পাহাড় হয়ে আছে। চুরি, ডাকাতি সহ বিভিন্ন স্পর্শকাতর বিষয়ে থানায় লিখিভত অভিযোগ দিলেও তারা এহজার হিসেবে না নেয়ার নজির রয়েছে আক্তারের বিরুদ্দে। এমনটি সাংবাদিকরে বাসায় চুরির পরও চুরাই মাল উদ্ধার তো দুরে র কথা মামলা পর্যন্তও নেননি তিনি। মামলাগুলো তদন্তও হয়েছে মনগড়া এমন প্রমানাধি রয়েছে ভোক্তভোগীদের হাতে।

এছাড়া আওয়ামীলীগের স্থানীয় গ্রুপিং রাজনীতিতে পক্ষালম্বনের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তার বির্তকিত পুলিশিংয়ে ভূয়া মামলায় হয়রানীর শিকার হয়ে ছাত্রলীগ-যুবলীগের বেহিসাব নেতাকর্মীদের বিষিয়ে উঠেছে স্বাভাবিক জীবন। ওসি আক্তার এতে করে হারিয়েছেন কর্মস্থলে গ্রহনযোগ্য-সার্বজনীন ইমেজ। তিনি আইনের প্রতিনিধি হয়ে, ব্যবহার হচ্ছেন স্থাণীয় গুঠিকয়েক সুবিধাভোগী বির্তকিত মানুষের ক্রীড়ানক হিসেবে। তার কাঁধে বন্ধুক রেখে রাজনীতিক সুবিধাভোগী মামলাবাজ মানুষগুলো দাপুট এখন এলাকায়। ওসি আক্তারকে কেন্দ্র করে বহুধা বিভক্ত হয়ে পড়ছে কর্মস্থল এলাকার সাধারন মানুষ। তারই বহিঃপ্রকাশ ঘটছে প্রকাশ্যে। সংবাদ সম্মেলন, মানববন্ধন সহ পুলিশের কমপ্লেইন সেলে অভিযোগ দেয়া হচ্ছে ওসি আক্তারের বিরুদ্ধে। সর্বশেষ সোমবার মানববন্ধনে ওসি আক্তারকে প্রত্যাহারের এক সপ্তাহের আল্টিমেটাম দিয়েছেন খাদিমপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও ভোক্তভোগী এলাকাবাসী।

শেয়ার করুন