১৫ মে ২০১৯


তথ্য দিতে চান না ফিঙ্গার অফিসের এডি, এ্যকশনে যাচ্ছে বিএমইটি

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেট : মীর কামরুল হোসেন। জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক। অভিযোগ রয়েছে তারই পরোক্ষ ইন্দনে জনশক্তি জরিপের দুই কর্মকর্তার নেতৃত্বে গড়ে উঠেছে বিরাট সিন্ডিকেট। ব্যাংক চালানের পর ২০০-৩০০ টাকা না দিলে আঙ্গুলের চাপ নেয়া হয়না বিদেশ যাত্রীদের। বিভিন্ন অযুহাতে তাদেরকে ফিরিয়ে দেয়া হয়।

এনিয়ে গত ১৩ মে সিলেটের জনপ্রিয় অনলাইন নিউজপোর্টাল আজকের সিলেট ডটকম-এ ‘টাকা ছাড়া আঙ্গুলের ছাপ নেয়না জনশক্তি অফিস’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশের পর তোলপাড় শুরু হয়। আসতে থাকে বিভিন্ন অভিযোগ। ইতিমধ্যে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুরো বিষয়টি নিয়ে কাজ শুরু করেছে। তারা খুব দ্রুত এ্যাকশনে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেলা জনশক্তি ও কর্মসংস্থান অফিসের সহকারী পরিচালক মীর কামরুল হোসেন দালালদের দৌরাত্ম্য প্রতিরোধে থানায় মামলা করেছেন বলে দাবী করলেও তার কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। এমনকি তাকে বার বার বলার পরও তিনি মামলা সংক্রান্ত কোন কাগজপত্র দিতে চাননি। তিনি বলেন, মামলার এজহার দিতে উপর মহলের অনুমতি লাগবে।

এমনকি মামলার এজহার নেয়ার জন্য তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী তথ্য প্রাপ্তির জন্য লিখিত আবেদনও নিতে তিনি অস্বীকৃতি জানান এই সহকারী পরিচালক।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জেলা তথ্য অফিসের উপ-পরিচালক জুলিয়া জেসমিন মিলি আজকের সিলেটকে বলেন, বর্তমান তথ্য অধিকার আইন অনুযায়ী যেকোন অফিসে আবেদন করেই তথ্য পাওয়া যায়। যদি কোন কর্মকর্তা তা দিতে অস্বীকৃতি জানান তবে তথ্য কমিশনে অভিযোগ করতে হবে।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জনশক্তি ও কর্মসংস্থান ব্যুরো প্রশাসন শাখার পরিচালক মোঃ আতাউর রহমান আজকের সিলেটকে বলেন, এডি কেন তথ্য দিবেনা, ও তথ্য দিতে বাধ্য। এসংক্রান্ত নিউজটি ইতিমধ্যে আমরা দেখেছি। আমরা এই বিষয়ে খুব দ্রুত এ্যাকশনে যাচ্ছি। এর সাথে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবেনা।

শেয়ার করুন