১ এপ্রিল ২০১৯
উপজেলা প্রতিনিধি, শ্রীমঙ্গল

মৌলভীবাজার : এ বছর আগাম বৃষ্টি হওয়ায় পান গাছে ‘লবর বা, নতুন পান’ এর দেখা পেয়েছেন পান চাষিরা। মৌলভীবাজারের ৬টি উপজেলায় বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ৬৫টি খাসিয়া পান পুন্জি রয়েছে।
বর্তমানে পান গুছানো ও বিপননে ব্যস্ত সময় পার করছেন এই সব পুঞ্জির খাসি নারী ও পান চাষিরা। এতে করে পুঞ্জিগুলোতে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। মূলত আদিবাসী খাসি জনগোষ্ঠীর জীবিকা নির্বাহের প্রধান উৎস হচ্ছে এই পান চাষ।
খাসি সোশ্যাল কাউন্সিলের তথ্য ও প্রচার বিষয়ক সম্পাদক সাজু মারছিয়াং বলেন, সাধারণত মার্চ আর এপ্রিলে গাছে পান থাকেনা। তাই পুন্জির লোকজন হয়ে পড়েন বেকার।
পাশাপাশি আর্থিক সংকটও দেখা দেয়। এবার সেই অবস্থায় পড়তে হচ্ছে না খাসিয়া পান পুঞ্জির বাসিন্দাদের। এবার আগাম বৃষ্টির কারনে মার্চ মাসেই পান উত্তোলন শুরু হয়েছে।
এবিষয়ে মৌলভীবাজারের লাউয়াছড়া খাসিয়া পুঞ্জির মন্ত্রী(পুঞ্জি প্রধান) ও বৃহত্তর সিলেট আদিবাসী ফোরামের মহাসচিব ফিলা পতমী বলেন, এবার আগাম বৃষ্টিপাত হওয়ায় জেলার ছোটবড় সব পুঞ্জিতেই কমবেশি নতুন পান উত্তোলন হচ্ছে।
এ পান দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে। তাই সরকারিভাবে আর্থিক সহায়তা পেলে খাসিয়া পান চাষিরা আরও লাভবান হতে পারতেন।
উল্লেখ্য, আগাম পান আসায় পান চাষীরা বাজারে পানের দামও ভালো পাচ্ছেন। পানের মৌসুমে যেখানে পানের আকার বড় থাকে তখন এক বিড়া বা, কান্তা পানের দাম মেলে ১২০ থেকে ১৩০টাকা। আর এখন পানের আকারও ছোট এবং মৌসুমের মতো অতটা বড় না। তারপরও এক বিড়া বা, কান্তা পানের দাম মিলছে ১২০টাকা। এতে পান চাষিরা লাভবান হচ্ছেন।