২২ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধি : গোলাপগঞ্জ উপজেলায় শেরপুর এলাকায় এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত গূহবধূ রুহেনা আক্তার (২৭) শেরপুর গ্রামের আজাদ আহমদের স্ত্রী । তিনি ২ সন্তানের জননী।
শুক্রবার ভোরে সিলেটের একটি বেসকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধিন অবস্থায় তিনি মারা যান। তড়িগড়ি করে লাশ গৃহবধুর শ্বশুড়বাড়ির লোকজন লাশ দাফনের চেষ্টা করার অভিযোগ রয়েছে।
নিহত মহিলার ভাই ফয়ছল আহমদের অভিযোগ- নিহতের শ্বাশুড়ি বৈতরূন বেগম, দেবর ফখরুল ইসলাম, আনকার আহমদ এবং ভাসুরের ছেলে আজিজুর রহমান সাপ্তাহ খানেক আগে পিটিয়ে অজ্ঞান অবস্থায় একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে। এ খবর পেয়ে নিহত গৃহবধুর স্বজনরা ছুটে এসে পরদিন তালাবদ্ধ ঘর থেকে তাকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানি হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে চিকিৎসার পর অবস্থার কোন উন্নতি না হওয়ায় গত বুধবার সিলেটের ইবনেসিনা হাসপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধিন অবস্থায় আজ (শুক্রবার) সকালে তিনি মারা যান।
এদিকে ঘটনা দামাচাপা দিয়ে নিহতের শ্বশুর বাড়ির লোকজন হাসপাতাল থেকে লাশ গ্রহণ করে বাড়িতে নিয়ে এসে লাশ দাফনের চেষ্টা করেন। গৃহবধুর স্বজনরা স্থানীয় জনপ্রতিনিধির মাধ্যমে লাশ দাফনে বাধা দেন। নিহতের ভাই এ ঘটনা গোলাপগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করবেন বলে জানান।
এদিকে, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশ। এসময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত গৃহবধূর দেবর ফখরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পুলিশ।
গোলাপগঞ্জ থানার ওসি একেএম ফজলুল হক শিবলী বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশের সুরতহাল সম্পন্ন করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করবে। তিনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতদের স্বজনরা মামলা দায়ের করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১জনকে আটক করা হয়েছে।