৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯

নিজস্ব প্রতিবেদক : বালাগঞ্জ উপজেলার ষষ্ঠ শ্রেণির মাদ্রাসা ছাত্রী গণধর্ষণ মামলার মূল ২ আসামীকে হবিগঞ্জ জেলার বাহুবল থেকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। গ্রেপ্তারকৃত দুজন হলো- বালাগঞ্জ উপজেলার শিওরখান গ্রামের সুমুদ্দিন মিয়ার ছেলে মো. বশির মিয়া (২৮) ও একই গ্রামের আব্দুল সালিকের ছেলে মো. সিতাপ আলী (২৩)।
এএসপি পিযুষ চন্দ্র দাসের নেতৃত্বে র্যাব-৯ শ্রীমঙ্গল ক্যাম্পের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাহুবল উপজেলার মীরপুর বাজার থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে।
র্যাব-৯ জানায়, আটক দুজন গত ২২ নভেম্বর ভিকটিম ওই মাদ্রাসা ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি পরিত্যক্ত গোয়াল ঘরে নিয়ে যাওয়ার পর পালাক্রমে গণধর্ষণ করে। এরপর থেকে তারা দীর্ঘদিন যাবত দেশের বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে আসছিল। গ্রেপ্তারকৃত দুজনকে বালাগঞ্জ থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
জানা যায়, উপজেলার দেওয়ান বাজার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের শিওরখাল গ্রামের
১৪ বছর বয়সী ধর্ষিতা ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাদরাসায় ৬ষ্ঠ শ্রেণীতে লেখাপড়া করতো । গত ২২ নভেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে ওই কিশোরী প্রয়োজনীয় কাজে বসত ঘরের বাইরে বের হয়। পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা প্রতিবেশি কয়েকজন বখাটে তাকে জোর করে ধরে বাড়ির পরিত্যক্ত একটি গোয়াল ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে নিয়ে মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে পালিয়ে যায় তারা। বাড়ির লোকজন মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি করে একপর্যায়ে বাড়ির গোয়াল ঘরে রক্তাক্ত অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়ে থাকতে দেখেন। এসময় বাড়ির লোকজনের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
পরদিন শুক্রবার ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে বালাগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন, মামলা নং- ৮। মামলায় আব্দুল আহাদ ও আযইসহ অজ্ঞাত আরও ৪ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। আব্দুল আহাদ ও আযই এই দুজনকে বালাগঞ্জ পুলিশ আগেই গ্রেফতার করেছিলো।