৭ ডিসেম্বর ২০১৮
মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের বড়লেখায় পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ধর্মঘটের কারণে আটকে পড়া অ্যাম্বুলেন্সে মারা যাওয়া সাতদিনের সেই কন্যা শিশুর লাশ ময়নাতদন্তের জন্য কবর থেকে তোলা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বড়লেখা উপজেলার সদর ইউনিয়নের অজমির গ্রামের কবরস্থান থেকে তার লাশ তুলে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। লাশ তোলার সময় বড়লেখা উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ উদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বড়লেখা থানার ওসি (তদন্ত) মো. জসীম সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে শিশুটির মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত ও ময়নাতদন্তের জন্য গত ৫ নভেম্বর বড়লেখার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হরিদাস কুমারের আদালতে আবেদন করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ নভেম্বর আদালত শিশুটির মরদেহ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ দেন।
গত ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী পরিবহন শ্রমিকদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘট চলছিল। এসময় বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম এলাকায় অ্যাম্বুলেন্সেই মৃত্যু হয় সাতদিনের কন্যাশিশুটির। নিহত শিশুটি অজমির গ্রামের কুটন মিয়ার মেয়ে। শিশুটির তখনও নাম রাখা হয়নি।
এ ঘটনার তিনদিন পর ৩১ অক্টোবর শিশুর চাচা আকবর আলী বাদী হয়ে অজ্ঞাতপরিচয় ১৬০ থেকে ১৭০ জন শ্রমিককে আসামি করে থানায় একটি মামলা (নং-১৮) করেন। এ মামলায় সোমবার (০৩ ডিসেম্বর) উপজেলার মহদিকোনা গ্রামের হবীব আলীর ছেলে আলীম উদ্দিন (৪৮) এবং মঙ্গলবার (০৪ ডিসেম্বর) একই এলাকার জহির উদ্দিনের ছেলে জাকির হোসেন রাজনকে (২৪) গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের দুজনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।