২২ জুন ২০১৭


মাধবপুরে নির্দ্দিষ্ট সময়ে অফিসে আসেন না কর্মকতারা

শেয়ার করুন

মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি : হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকতারা নির্দ্দিষ্ট সময়ে অফিসে আসেন না। যখন ইচ্ছে আসেন যখন ইচ্ছে যান। এতে করে উপজেলা পরিষদে সেবা নিতে আসা লোকজন দূভোগে পড়ছে। কর্মকতারা যে যার মত অফিস ফাঁকি দিচ্ছে।

বুধবার সকাল ৯ টা থেকে ১০ পর্যন্ত ঘুরে বেশ কটি দপ্তরের কর্মকতাদের পাওয়া যায়নি।
সকাল ৯ টা ১০ মিনিটে উপজেলা মৎস্য কর্মকতার কার্য্যালয়ে গিয়ে দেখা যায় বৈদূতিক পাখা ঘুরছে। অফিস সহকারী শাহজাদা একাই কর্মস্থলে রয়েছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা মৎস্য কর্মকতা নাহিদ হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, তিনি হবিগঞ্জ জেলা সদরে একটি মিটিংয়ে যোগ দিবার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই সময় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলীর কার্য্যালয় তালা বন্ধ দেখা গেছে।

৯ টা ৫ মিনিটে উপজেলা সমবায় কর্মকর্তার কায্যার্লয়ে গিয়ে উনার কার্য্যালয় তালা বন্ধ পাওয়া যায়। ৯ টা ৬ মিনিটে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিসে গিয়ে দেখা যায় ২ জন স্টাফ বসে আছেন। খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকতা নেই। সহউপখাদ্য পরিদর্শক সামসুল হক জানান, স্যার এসে চলে গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা আবুল হোসেনের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি চুনারুঘাট রয়েছেন বলে জানান।

পাশেই বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুারো উপজেলা অফিস ৯ টা ৯ মিনিটে তালা বন্ধ পাওয়া যায়। ৯ টা ১৫ মিনিটে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা যায় কম্পিউটার অপারেটার শ্যামল চন্দ্র পাল কাজ করছেন। জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা এখানে অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। আর কোন স্টাফ কে পাওয়া যায়নি।
৯ টা ১৮ মিনিটে উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তার কায্যালয়ে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দেখা মিলে যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ সফিকুল ইসলামের সঙ্গে।

এ সময় উনার অফিসে একজন স্টাফ কর্মরত দেখা যায়। অন্য স্টাফরা কোথায় আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বাকিরা ফিল্ডে রয়েছে। স্বাক্ষর দিয়ে গিয়েছেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন উনারা মৌখিক ভাবে বলে ফিল্ডে গিয়েছেন।

উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে দেখা যায় একজন স্টাফ কম্পিউটারে কাজ করছেন।
তিনি জানান, স্যার ট্রেনিংয়ে আছেন। নাজমুল স্যার চলতি দায়িত্ব পালন করছেন। কিন্তু উনি উইআরসিতে আছেন।

সকাল ৯ টা ২৭ মিনিটে উপজেলা আনসার ভিডিপি কার্য্যালয়ে গিয়ে তালা বন্ধ পাওয়া যায়। ৯ টা ৩৩ মিনিটে উপজেলা সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায় ডাক্তারের নিদ্দিষ্ট কক্ষ গুলো তালা বন্ধ।

এ ব্যাপারে উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোঃ মোকলেছুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি খোজ নিয়ে দেখবেন।

 

(আজকের সিলেট/২২ জুন/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন