২৫ নভেম্বর ২০১৮
ওসমানীনগর প্রতিনিধি : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় প্রধান ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ঘোষনা না করায় বিক্ষোভ মিছিল করে সড়ক অবরোধ করেছে দলটির নেতাকর্মীরা। মুলত দলীয় সভানেত্রীর সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধেই এই বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন তারা।
রোববার সিলেটের ৪টি আসনে প্রার্থী ঘোষনার পরই আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন।
অবরোধকালে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আনা মিয়া, সিনিয়র সহ-সভাপতি জাবেদ আহমদ আম্বিয়া, সাধারণ সম্পাদক আলতাফুর রহমান সুহেল,যুক্তরাজ্য স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা ঝলক পাল সহ যুবলীগ, সেচ্ছাসেবকলীগ ও ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।
দলীয় সূত্রমতে, সিলেট-২ ও ৫ আসনটি আওয়ামীলীগের এবং মহাজোটের বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় পার্টিকে ছাড় দেয়া হয়েছে। দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর দলীয় প্রধানের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এমন ঘটনা দলের জন্য সুখকর নয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের একাধিক নেতা বলেন, সড়ক অবরোধ করে, জনগনের ভোগান্তি সৃষ্টি করে এমন বিক্ষোভ কার বিরোদ্ধে? দলীয় প্রধানের চেয়ে দলের জন্য অন্যকারো বেশী দরদ থাকার কথা নয়। সুতরাং নেত্রীর সিদ্ধান্তে বিরুদ্ধে এমন অবস্থান নিয়ে বিশৃংখলা করা ঠিক নয়। যারাই করেছেন তারা না বুঝে করেছেন।
বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আওয়ামীলীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ আজকের সিলেটকে বলেন, দল ও জোটের স্বার্থেই নেত্রী এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নেত্রীর সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা মোটেই কাম্য নয়, এটি দলীয় শৃংখলা ভঙ্গের সামিল।
এর আগে রোববার আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, মনোনয়ন নিয়ে কারো কারো ক্ষোভ থাকতেই পারে। তবে মনোনয়ন না পেয়ে যদি সাংগঠনিক বহির্ভূত কোনো কাজ কেউ করেন, তার বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে, প্রয়োজনে তাৎক্ষণিক দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।