৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮
ওসমানীনগর প্রতিনিধি : ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি, তাজপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইমরান রব্বানী, ওসামানী নগর উপজেলা বিএনপি যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক নজরুল ইসলাম এক যৌথ বিবৃতিতে ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীদের গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দায়ের ও বাসা বাড়িতে পুলিশি তল্লশীর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ওসমানীনগর থানা পুলিশ আওয়ামীলীগের ইন্দনে সম্পূর্ণ বেআইনী ও অন্যায়ভাবে ওসমানী নগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সৈয়দ মোতাহির আলী চেয়ারম্যান, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এস.টি.এম ফখর উদ্দিন চেয়ারম্যান, সহ-সভাপতি সৈয়দ কয়ছর আহমেদ চেয়ারম্যান, যুগ্ম সম্পাদক, ভাইস-চেয়ারম্যান গয়াছ মিয়া, শিক্ষা বিয়ষক সম্পাদক আবু কয়েছ চৌধুরী, গোয়ালাবাজার ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি সিরাজুল ইসলাম, দয়ামীর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ইমাদ উদ্দিন লিলু, কামাল আহমদ পারভেজ, হাদিস খান, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহŸায়ক রকিব আলী, আতিকুল আলম, শরীফ আহমদ, কমরু মিয়া, শরীফ আহমদ চৌধুরী বাচ্চু, সাজন আলী, আব্দুল মন্নান, আব্দুল কালাম কে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক একটি বৈঠক থেকে গ্রেফতার করে এবং আরো ১৭ জনের নাম উলেখ করে ওসমানীনগর থানায় এটি মিথ্যা ও বানোয়াট ও ভিত্তিহীন মামলা দায়ের করে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, গত তিন সেপ্টেম্বর গোয়ালাবাজার ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির কর্মী সভা ও কমিটি পূর্ণগঠনের লক্ষে ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সৈয়দ কয়ছর আহমদের বাড়িতে সভা আহŸান করা হয়। যাহা আগামী ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের প্রস্তুতির লক্ষে উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক কার্যক্রম জোরদার ও প্রত্যেকটি ইউনিয়নের বিএনপির ওয়ার্ড কমিটি পূর্ণগঠন কার্যক্রমের একটি অংশ। কিন্তু সভা শেষ পর্যায়ে হঠাৎ করে ওসমানীনগর থানা পুলিশের একটি দল উপস্থিত হয়ে সবাইকে ঘেরাও করে রাখে এবং র্শীষ নেতৃবৃন্দ সহ ১৬ জনকে গ্রেফতার করে।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, মামলার এজহারে যা উল্লেখ রয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। আমরা ওসমানীনগর উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও ঘৃণা জানাচ্ছি। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি একটি নিয়মতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক, রাজনৈতিক সংগঠন। বিএনপি কখনও ধ্বংসাত্মক কিংবা হিংসাত্মক কার্যকলাপে বিশ্বাসী নয়। আমরা ইতিমধ্যে লক্ষ্য করছি গোয়ালাবাজার ছাত্রদলের কর্মী সভা, উসমানপুর ইউনিয়নের ভেড়াখালে বিএনপির কর্মী সভা পুলিশ খন্ড করে দেন। শেখ হাসিনার সরকার ক্ষমাতাসীন হওয়ার পর থেকে ওসমানীনগর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের কোনো কর্মসূচি পালন করতে দেয়নি পুলিশ। একের পর এক মিথ্যা মামলা ও নেতাকর্মীদের বাসা-বাড়িতে পুলিশি তলাশী, হয়রানী অব্যাহত রয়েছে। যা ওসমানীনগরে সকল পেশা-শ্রেণীর মানুষ অবহিত। ওসমানীনগর একটি শান্তি প্রিয় এলাকা। পুলিশ একটি মহলের যুগ সাজশে একের পর এক গ্রেফতার, মিথ্যা মামলা দায়ের দিয়ে ওসমানীনগরকে এক অশান্ত ও ভীতিকর পরিস্থিতির মুখোমুখির দাড় করেছে। এই পরিস্থিতিতে বিএনপি নেতৃকর্মী ও ওসমানীনগর বাসী চরম আতঙ্কিত, হতাশা গ্রস্ত। নেতৃবৃন্দ সিলেট জেলা বিএনপির অন্যতম উপদেষ্টা, উপজেলা বিএনপির সাবেক আহŸায়ক চেরাগ আলী চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা সৈয়দ এনামুল হক (এনাম পীর)সহ নেতৃবৃন্দের বাড়ীতে পুলিশী তল্লাশী ও পরিবারের লোকজনের সাথে অসদাচরণের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, জননেতা এম. ইলিয়াস আলীর তিলে তিলে ঘাম ঝরা- বিএনপিকে ধ্বংস করা কিংবা জনবিচ্ছিন্ন করা সম্ভব নয়। সরকার জননেতা এম ইলিয়াস আলীর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে এবং রাজনৈতিক ভাবে মোকাবেলায় ব্যর্থ হয়ে র্দীঘ ৬ বছর এর অধিক সময় ধরে গুম করে রেখেছে। আওয়ামীলীগ মনে করছে জননেতা এম. ইলিয়াস আলীকে গুম করে, বিএনপির নেতাকর্মীদের নামে মিথ্যা মামলা ও পুলিশী হয়রানীর মাধ্যমে এ অঞ্চলের বিএনপি কে ধ্বংস করা যাবে, কিন্তু বাস্ত বড় কঠিন, নির্মম। অত্যাচার, জুলম, নির্যাতন যত বেগবান হবে বিএনপি তত শক্তিশালী হবে। নেতৃবৃন্দ অনতিবিলম্বে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নিঃশর্ত মুক্তি এবং জননেতা এম ইলিয়াস আলীকে জনতার মাঝে ফিরিয়ে দেওয়ার জোর দাবী জানান।