৪ আগস্ট ২০১৭


কাউয়াদিঘীতে পানিবন্দি কয়েক হাজার মানুষ

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ৫নং আকাইলকুড়া ইউনিয়ন ও রাজনগর উপজেলার ১নং ফতেপুর ইউনিয়নের অন্তেহরী, কাদিপুর, জুমাপুর, দূর্গাপুর, জগৎপুর, শাহাবাজপুর সহ কয়েকটি গ্রামের হাজার হাজার মানুষ রয়েছে পানিবন্দি। কুশিয়ারা নদীর পানি বিপদসীমার উপরে প্রবাহিত হওায় হাওরে পানি প্রতিদিন বাড়ছে। তাহার মধ্যে আবার প্রতিদিন বৃষ্টি হচ্ছে। এলাকাগুলুতে বিশুদ্ধ পানির অভাব দেখাদিয়েছে। ফলে বাড়ছে পানি বাহিত বিভিন্ন রোগবালাই।

জানা যায়, দীর্ঘদিন থেকে পানিতে ডুবে থাকায় গ্রামের সবক’টি রাস্তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।ফলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন গ্রামগুলোর হাজার হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

অন্তেহরি গ্রামের বাসিন্দা ইউপি সদস্য অমর দাশ ও কাদিপুর গ্রামের বাসিন্দা গোপেশ সরকার জানান, প্রথমে সমস্ত বোরো ফসল হারিয়ে গ্রামের সকল মানুষ যখন দিশেহারা, তখনই নতুন করে বাড়িঘরে পানি উঠলে দ্বিতীয়বাবের মতো দুর্যোগের মুখে পড়েন এই গ্রামগুলোর মানুষ। জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে যোগাযোগের একমাত্র পাকা সড়কটিও সম্পূর্ণ নষ্ট হয়ে পড়ায় গ্রামবাসীদের ভোগান্তির শেষ নেই।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে পাউবো মৌলভীবাজার কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী (যান্ত্রিক) আনিসুর রহমান জানান, বিশাল অঞ্চলজুড়ে কাউয়াদীঘি হাওর। প্রতিদিন যে পরিমাণ বৃষ্টি হচ্ছে তা পাম্পে সেচ দিয়ে বের করা সম্ভব নয়। এই পাম্প মূলত আগাম বন্যা থেকে ফসল রক্ষার জন্য করা হয়েছে। এতো পানি সেচ দেওয়ার সুযোগ নেই। কুশিয়ারার পানি হাওরের নিচে নামলে গেট খুলে দেওয়া হচ্ছে। কুশিয়ারার পানি ওপরে থাকলে গেট বন্ধ থাকে। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসন ও বিভিন্ন সংগঠন এসব এলাকার বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেছে।

 

 

(আজকের সিলেট/৪ আগষ্ট/ডি/এমকে/ঘ.)

শেয়ার করুন