১৩ জুলাই ২০১৮


সাহিত্য চর্চা হৃদয়কে বদলে দেয় : ইমদাদুল হক মিলন

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : বিশ্বের সপ্তম ভাষা বাংলা। কিন্তু অনুবাদের অভাবে আমাদের ভাষাকে বিশ্বের দরবারে সেভাবে নিয়ে যেতে পারিনি। বিশেষ করে বাংলা কবিতা সেইভাবে অনুবাদ হয়ে বিশ্বের দরবারে না পৌঁছায় আমরা আরো অনেক নোবেল পুরস্কার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়েছি।

যদি বাংলা কবিতা বিশ্বের দরবারে ঠিকভাবে পৌঁছাতো তাহলে বাংলাদেশের আরো অন্তত ৫ জন সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেতেন। সাহিত্যকে আমাদের ভালবাসতে হবে। সাহিত্য চর্চা হৃদয়কে বদলে দেয়।

শুক্রবার বিকেলে হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের মাসিক সাহিত্য আসরে মূখ্য আলোচকের বক্তৃতাকালে এসব কথা বলেন বারেণ্য কথা সাহিত্যিক ও উপন্যাসিক এবং দৈনিক কালের কণ্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন।

তিনি বলেন, জীবনে কবিতা লেখার দুঃসাহস করিনি। কিন্তু কবিতা খুব পছন্দ করি। কবিতার ভেতরের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা করি। রহস্য না থাকলে কোনো কবিতা হবে না। জীবনের অজস্র পৃষ্ঠা এবং জীবনের সব কথা বলা যাবে দুই লাইনের কবিতায়। বিশেষ করে শব্দের ব্যবহার কবিতার বড় শক্তি। আর উপন্যাস হলো কল্পনা এবং বাস্তবের মিশেলে তৈরি। আমি জীবনে যা লিখেছি, তার চেয়ে পড়েছি আরো বেশি।

এসময় নবীন লেখকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, যত বেশি পড়বেন, তত বেশি লিখতে পারবেন। পড়ার কোনো বিকল্প নেই।

কবি তাহমিনা বেগম গিনির সভাপতিত্বে এবং আবু মোতালেব খান এবং হবিগঞ্জ সাহিত্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এমএ ওয়াহেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ফজলুল জাহিদ পাভেল।

আলোচনায় অংশ নেন সরকারি বৃন্দাবন কলেজের সাবেক অধ্যাপক ইকরামুল ওয়াদুদ, প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি গোলাম মোস্তফা রফিক, সাবেক সভাপতি শামীম আহছান, খোয়াই থিয়েটারের সভাপতি অ্যাডভোকেট নিলাদ্রী শেখর পুরকায়স্ত টিটু, প্রমথ চৌধুরী, বাদল রায়, অপু চৌধুরী, আবুল ফজল প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে হবিগঞ্জের বিভিন্ন সংগঠনের পক্ষ থেকে ইমদাদুল হক মিলনকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানানো হয়। পাশাপাশি হবিগঞ্জ সাহিত্য সংসদের বিভিন্ন প্রকাশনা এবং হবিগঞ্জ জেলার লেখকদের বিভিন্ন বই তাকে উপহার দেওয়া হয়। ইমদাদুল হক মিলনের পক্ষ থেকেও উপস্থিত সবাইকে তার নিজের লেখা উপন্যাস দেওয়া হয়।

(আজকের সিলেট/১৩ জুলাই/ডি/এসসি/ঘ.)

শেয়ার করুন