৬ জুলাই ২০১৮
তাহিরপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারের সড়ক গুলোতে পানি জমে চরম জনদুর্ভোগের শিকার হচ্ছে জনসাধারন। সামান্য বৃষ্টি হলেই উপজেলার অর্ধশতাধিক বাজার গুলোর মূল সড়ক পানিতে টইটুম্ভুর হয়ে যায়।
এত করে দুর্ভোগে পড়তে হয় বাজারে আসা স্থানীয় কৃষক,ব্যবসায়ী,বিভিন্ন স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রী,শিক্ষক,সড়ক দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনসহ সর্বস্থরের জনসাধারনকে।
জানা যায়,তাহিরপুর উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের সাড়ে তিন লক্ষাধিক জনসাধারনের বাজার গুলোই দিয়েই উপজেলা ও জেলা সদরে সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেন। এছাড়াও বাজার গুলো দিয়েই বিভিন্ন স্কুল,কলেজের ছাত্র-ছাত্রী,সরকারী-বেসরকারী বিভিন্ন প্রতিষ্টানের চাকরীজীবি,ব্যবসায়ীরা যার যার নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাতায়াত করে থাকেন। উপজেলার ছোট-বড় অর্ধশতাধিক হাট-বাজার গুলোতে সড়কের সংস্কার হয় নি ও ড্রেনের ব্যবস্থা নেই। ফলে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে ডুবে যায় আর কাঁদায় একাকার হয়ে যায়।
বার বার এলাকাবাসী সহ স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বাজার গুলোতে ড্রেন তৈরী ও রাস্তা মেরামত করার জন্য দাবী জানিয়ে আসলেও কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষুভ প্রকাশ করছে বাজার গুলো দিয়ে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
তাহিরপুর উপজেলা সদর বাজারের ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম,সাদেক আলী,শিবলি আহমদসহ অনেকেই জানান,উপজেলা সদরের বাজারটির দিকে কারো নজর নাই। বৃষ্টি হলেই বাজারে কৃষি ব্যাংক থেকে পোষ্ট অফিস রোড পর্যন্ত পানি জমে দূর্গন্ধ সৃষ্টি ও কাঁদা হয়ে যাওয়ায় চলাচলে অসুবিধা হয় । পানি নিষ্কাশনের জন্য ড্রেন না থাকায় বৃষ্টি হলেই পানি জমে থাকে।
তাহিরপুর বাজার বনিক সমিতির সাধারন সম্পাদক এরশাদ মিয়া জানান,বাজারের ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানিতে বাজারের সড়ক গুলো পানিতে ডুবে যায় ও কাদাঁযুক্ত হয়ে পড়ে। বাজারের চতুর দিকে ড্রেন তৈরী করে জমে থাকা পানি বাজারের বাহিরে চলে যাওয়ার ব্যবস্থা করা খুবেই প্রয়োজন। এব্যাপারে সদর ইউপির চেয়ারম্যান,উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান,নির্বার্হী কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্শন করছি। তারা সহযোগীতা করলে খুব দ্রুতই সমাধান হবে।
তাহিরপুর উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান ফেরদৌস আলম আখঞ্জি জানান,আমাদের উপজেলা পরিষদের বরাদ্ধ খুবই কম তার পরও সদরের বাজার হিসাবে বাজারের উন্নয়নের জন্য আমার ও আমার পরিষদের পক্ষ থেকে আমি সর্বাত্মক চেষ্টা করব।
(আজকের সিলেট/৬ জুলাই/ডি/কেআর/ঘ.)