২১ জুন ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : চা বাগান বেড়ানোর আসল সময় বর্ষাকাল। আর এ বছরের ঈদের ছুটিটা পড়েছে বর্ষাতেই। ছুটির এ সময়ে তাই সিলেটের চা বাগানগুলোতে ভীড় করেছেন পর্যটকরা। সিলেট হচ্ছে দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির সবুজ রংয়ের নয়নাভিরাম চারণভূমি, হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.)সহ ৩৬০ আউলিয়ার পূণ্যভূমি এবং সিলেটের গোলাপগঞ্জের ঢাকা দক্ষিণের রয়েছ শ্রী চৈতন্যের তীর্থস্থান।
এছাড়াও সিলেটের আনাচে কানাচে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে প্রকৃতির রূপ-লাবণ্যের অপূর্ব সৌন্দর্যের ভাণ্ডার। এখানকার নৈসর্গিক প্রাকৃতিক শোভা অতি সহজে মুগ্ধ করে পর্যটকদের। তবে, শহরের কাছে হওয়া চা-বাগানগুলোতে পর্যটকের ভিড় লেগেই আছে। মঙ্গলবার বিকেলে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সিলেটের চা বাগানের খ্যাতি রয়েছে সারা বিশ্বজুড়ে। চারপাশে সবুজের সমারোহ। নীল আকাশের নিচে যেন সবুজ গালিচা পেতে আছে সজীব প্রকৃতি।
উঁচু-নিচু টিলা এবং টিলাঘেরা সমতলে সবুজের চাষাবাদ। শুধু সবুজ আর সবুজ। মাঝে মাঝে টিলা বেষ্টিত ছোট ছোট জনপদ। প্রকৃতির সকল সৌন্দর্যের সম্মিলন যেন এখানে। এমন অন্তহীন সৌন্দর্যে একাকার হয়ে আছে সিলেটের চা বাগান।
দেশের মোট চায়ের ৯০ শতাংশই উৎপন্ন হয় সিলেটে। এজন্য সিলেটকে দুটি পাতা একটি কুঁড়ির দেশও বলা হয়। বিভিন্ন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সমৃদ্ধ হলেও প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে অন্য এক ভালোলাগার ধারক হয়ে আছে সিলেটের চা বাগান। তাই ছুটির অবসরে কিংবা বৈকালিক বিনোদনের তৃষ্ণা মেটাতে তারা ছুটে যান চা বাগানের সবুজ অরণ্যে।
কুমিল্লা থেকে বেড়াতে আসা রাকিব জানায়, শহরের পাশে হওয়ায় চা বাগানের সৌন্দর্য দেখতে সে বন্ধুদের নিয়ে সেখানে এসেছে। তার অনেক ভালো লাগছে। বিশেষ করে বর্ষাকালে নতুন পাতা গজানোর কারণে বাগানে নতুন রূপ পেয়েছে বলে মন্তব্য তার।
এদিকে, চা বাগান ছাড়াও সিলেটের বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রে দর্শনার্থী ও পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে।
সিলেটের জেলা প্রশাসক নুমেরী জামান জানান, ঈদের ছুটিতে আধ্যাত্মিক ও পর্যটক নগরের এই সিলেটে হাজার হাজার পর্যটকরা ঘুরতে আসেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে। তাদের নিরাপত্তাসহ সার্বিক বিষয়ের ওপর নজর রাখতে বিজিবি,পুলিশ ও সিভিল অ্যাভিয়েশনসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদেরকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
(আজকের সিলেট/২১ জুন/ডি/এসটি/ঘ.)