২০ জুন ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : ফারুক আহমদ। যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তিনি। বিগত সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগ থেকে সিলেট-৪ আসনে দলীয় মনোনয় চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দল মনোনয়ন না দিলে সতন্ত্র নির্বাচন করেন ফারুক আহমদ। এবারও তিনি দলের কাছে সিলেট-৪ আসনে মনোনয়ন চাইছেন।
সম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফিরে এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। নেতাকর্মীদের কাছে টানার চেষ্টা করছেন। গ্রামে গ্রামে গণসংযোগ করছেন। দারে দারে নৌকার জন্য ভোট চাইছেন। আর দেশে ফিরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে একটি স্ট্যটাস দিয়েছেন তিনি।
আজকের সিলেট ডটকম-এর পাঠকদের জন্য তার স্ট্যাটাসটি হুবহু তুলে ধরা হলো-
আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ । আমাদের ভবিষ্যত নেতা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর আইটি বিষয়ক উপদেস্টা জনাব “সজীব ওয়াজেদ জয়” বলেছেন আওয়ামীলীগ ঐক্যবদ্ধ থাকলে আমাদের কেউ হারাতে পারবে না। আমাদের অনৈক্ষ্যের কারনে যদি কোনভাবে বিএনপি জামাত ক্ষমতায় আসতে পারে, তাহলে এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত হবে।
তাই নিজেদের মধ্যে সকল ভেদাভেদ ভুলে গিয়ে আসুন সবাই ঐক্ষবদ্ধভাবে নৌকার পক্ষে কাজ করি। এখানে অনেকেই সিলেট-৪ (গোয়াইনঘাট-জৈন্তিয়াপুর-কোম্পানীগন্জ) আসনে গত দশম সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দলকে বিভক্ত করায় লিপ্ত। তাদের জ্ঞাতার্থে বলছি, আমি গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করেছি, দলকে চ্যালেন্জ করে নয়, বিএনপি-জামাতকে চ্যালেন্জ করে। আমি দলকে সহযোগিতা করার জন্য বিএনপি-জামাতের চ্যালেন্জ উপেক্ষা করে প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে নির্বাচনে অংশগ্রহন করি। আমার নির্বাচনী বক্তব্যে অসংখ্যবার একথা বলেছি। আপনাদের স্মরন করিয়ে দিতে চাই যে, গত নির্বাচনে বিএনপি-জামাত নির্বাচন প্রত্যাহার ও বয়কট করে ঘোষনা দিয়েছিল যে, তারা বাংলাদেশে ৩০০ আসনে কোনো দল বা ব্যক্তিকে নির্বাচন করতে দিবেনা। তারা নির্বাচন প্রতিরোধ করার জন্য পেট্রল বোমা, আগুন সন্ত্রাস, পুড়িয়ে মারা সহ এমন কোনো কাজ নেই যে, তারা করেনি। শেষ পর্যন্ত বিএনপি-জামাত ব্যর্থ হয়। অতএব গত নির্বাচন ও আগামী নির্বাচনের প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ ভাবে ভিন্ন।
আমি একজন মুক্তিযাদ্ধার সন্তান, বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী ও জননেত্রী শেখ হাসিনার সৈনিক হিসেবে হলফ করে বলতে পারি, আমার দ্বারা দলের কোন ক্ষতি হউক, এমন কোন কাজ আমি করিনি এবং করবো না। আগামী একাদশ সংসদ নির্বাচনে দলের মনোনয় চাইব, এটা আমার গনতান্ত্রিক অধিকার। দলের তৃনমূল ও হাইকমান্ড যদি আমাকে মনোনয়ন দেয় তাহলে আমি নির্বাচন করব বলে নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়ে দেশে এসেছি। যদি কোনও কারনে দল আমাকে মনোনয়ন না দেয়, তাহলে যাকে দল মনোনয়ন দিবে, আমি তার পক্ষে কাজ করব। তাই আসুন সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বিনির্মানে, আগামী ২০২১ সালের ভিতরে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে এবং ২০৪১ সালের ভিতরে উন্নয়নশীল দেশে পরিনত করার লক্ষ্যে সবাই একসাথে নৌকার বিজয়ের লক্ষ্যে কাজ করি।
জয় বাংলা
জয় বঙ্গবন্ধু
(আজকের সিলেট/২০ জুন/এসসি/ঘ.)