১৩ মে ২০১৮


বিয়ানীবাজারে সইবন হত্যা : জাকিরের স্বীকারোক্তি, ছুরি গামছা উদ্ধার

শেয়ার করুন

বিয়ানীবাজার প্রতিনিধি : বিয়ানীবাজারে ব্যবসায়ী সইবনকে হত্যার ১৫দিন পর পুলিশ এ কাজে ব্যবহৃত দু’টি ছুরি ও ৭টি গামছা উদ্ধার করেছে। পাঁচদিনের রিমান্ডে থাকা জাকির হোসেন হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকারের পর তার দেওয়া তথ্যানুযায়ী পুলিশ গতকাল শনিবার সকালে শেওলা ব্রিজের পাশ থেকে এগুলো খুঁজে বের করে। এ হত্যাকা-ে জড়িত অপর আসামীদেরও চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে, গ্রেফতারের আগেই পুলিশ তাদের নাম প্রকাশে রাজি হয়নি।

জানা যায়, আমেরিকা পাঠানোর নামে কাপড় ব্যবসায়ী হাজী সহিব উদ্দিন সইবনের কাছ থেকে কৌশলে দেড় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় ব্যবসায়ী জাকির। শর্তানুযায়ী গত জানুয়ারি মাসে তাদের বিদেশ পাঠানোর কথা ছিল। কিন্তু কাজ না হওয়ায় সইবন টাকা ফেরত চান। এতে জাকির টাকা দিতে গড়িমসি করলে তিনি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে টাকা আত্মসাৎ করতেই গত ২৭ এপ্রিল রাতে সইবনকে জবাই করে আলীনগর এলাকায় রাস্তার পাশে ফেলে দেয় ঘাতকরা। নৃশংস এ হত্যাকান্ডে ৫জন সরাসরি জড়িত থাকার কথা পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে ধৃত জাকির।

রিমান্ডে সে পুলিশকে আরও জানিয়েছে, সইবনকে খুনের পর তার পায়ের জুতা, মোবাইল ফোন ও এ কাজে ব্যবহৃত ৭টি গামছা, দু’টি ছুরি শেওলা ব্রিজের নিচে ফেলে দেয়। রাতে সে বৈরাগীবাজারে শ^শুর বাড়ি আশ্রয় নেয় এবং সহযোগিরা গাড়িসহ সিলেট পালিয়ে যায়।
এদিকে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরদিন পুলিশ জাকিরকে আটক করে এবং তার সিলেটের বাসা থেকে রক্তাক্ত গাড়ী, বিদেশ পাঠানোর ১৫শ’ ডকুমেন্ট জব্দ করে।

বিয়ানীবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহজালাল মুন্সী বলেন, পুলিশ এ হত্যাকা-ের মোটিভ উদঘাটন করেছে। এখন জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
তিনি বলেন, আমরা ৩টি গামছা, মোবাইল ও জুতা পাইনি। হয়তো এগুলো পানির স্রোতে ভেসে গেছে।

ওসি বলেন, ঘাতক জাকিরের ৫দিনের রিমান্ড রোববার শেষ হলে তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।

(আজকের সিলেট/১৩ মে/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন