২৯ ডিসেম্বর ২০২৩
জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : পাওনা টাকা নিয়ে পারিবারিক দ্বন্দে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনের বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি মনোনীত তালুকদার মকবুল হোসেন (কাঁঠাল) প্রতীকের প্রার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে।
শুক্রবার জুম্মার নামাজ শেষে উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের মইজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে তালুকদার মকবুল হোসেন (৫০) তার চাচাত ভাই ফয়জুল মিয়া (২৩) ও মাহিদুর (২০) আহত হন।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত ৫ বছর আগে মইজপুর গ্রামের বিএনপি নেতা বাংলাদেশ জাতিয় পার্টির প্রার্থী মকবুল হোসেনের ভাতিজা মাসুক আলী তার ছোট ভাই তাজুল ইসলামকে কাতার পাঠানোর জন্য বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তালুকদার মকবুল হোসেনকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়েছিলেন।
পাওনা এ টাকা চাওয়ার জেরে বৃহস্পতিবার মইজপুর জামে মসজিদে জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে তালুকদার মকবুলের সঙ্গে মাসুক আলীর কথা কাটাকাটির হয়। এক পর্যায়ে হাতাহাতিতে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তালুকদার মকবুল হোসেনসহ তার দুই চাচাত ভাই আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
তবে পাওনা টাকার বিষয়টি অস্বীকার করে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী তালুকদার মকবুল হোসেন বলেন, কোনো কিছু বুঝে উঠার আগেই আমি কেন নির্বাচন করছি, বিএনপি নির্বাচন বর্জন করেছে, এ কথা বলে বিএনপি নেতা মাসুক আলী নেতৃত্বে কয়েকজন আমাকে মারধর করেন। এ সময় আমাকে রক্ষায় এগিয়ে এলে আমার চাচাত ভাই ফয়জুল মিয়াকে মারধর করে। ঘটনাটি আমি জগন্নাথপুর থানা পুলিশকে অবহিত করেছি।
অভিযুক্ত মাসুক আলী বলেন, উনার কাছে আমার টাকা পাওনা রয়েছে। পাওনা টাকা চাইতে গেলে কথা কাটাকাটি হয়েছে। মারধর কিংবা হামলার ঘটনা ঘটেনি।
জগন্নাথপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বলেন, এটি পারিবারিক কলহের একটা ঘটনা। তাদের চাচা-ভাতিজার মধ্যে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি এক পর্যায় হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এটি রাজনৈতিক কোনো বিষয় নয়। আমরা ওই প্রার্থীকে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার জন্য বলেছি। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।