৭ ডিসেম্বর ২০২৩


প্রতিমন্ত্রী মাহবুবের স্ত্রীর আয়ের উৎস না থাকলেও সম্পদ বেড়েছে ২৫ গুণ

শেয়ার করুন

হবিগঞ্জ প্রতিনিধি : প্রতিমন্ত্রী মাহবুব।দেশজুড়ে আলোচিত এক নাম। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভ করে তিনি দায়িত্ব পান বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর। এর আগে দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও তিনি আসনটিতে জয়লাভ করেছিলেন।হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসন থেকে টানা দুইবারের আ.লীগ দলীয় এ-এমপি এবারও পেয়েছেন দলের মনোনয়ন।

এদিকে গত ১০ বছরে এই প্রতিমন্ত্রীর আয় ও সম্পদ বেড়েছে ৮ গুণ।সম্পদের তালিকায় এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে চা বাগান, রাবার বাগান ও মৎস্য খামার। আর তার স্ত্রীর আয়ের উৎস না থাকলেও সম্পদ বেড়েছে সাড়ে ২৫ গুণ। আগে নির্ভরশীলদের কোনো সম্পদ না থাকলেও এবার তাদের নামে আছে পৌণে ২ কোটি টাকা। ২০১৪ ও ২০২৩ সালে মনোনয়নপত্রের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনে দেওয়া মাহবুব আলীর হলফনামা পর্যালোচনা করে এসব তথ্য জানা গেছে।

২০১৪ সালের নির্বাচনে হলফনামায় অ্যাডভোকেট মো. মাহবুব আলী উল্লেখ করেন, নিজের বাৎসরিক আয় ৮ লাখ ৫৮ হাজার ১৫৮ টাকা। আর ২০২৩ সালের হলফনামায় তিনি উল্লেখ করেছেন, নিজের বার্ষিক আয় ৩৬ লাখ ১৮ হাজার ৫৮৬ টাকা। এর মধ্যে কৃষি খাতে ৮০ হাজার, বাড়িভাড়া ২ লাখ ২৫ হাজার, ব্যবসা ৭ লাখ ৬৫ হাজার, শেয়ার, সঞ্চয়পত্র, ব্যাংকে জমা ১৪ লাখ ৪৪ হাজার ৫৮৬ টাকা, সংসদ সদস্য হিসেবে প্রাপ্ত ভাতা ১১ লাখ ৪ হাজার টাকা।

অস্থাবর সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয় ৪ কোটি ৩৪ লাখ ৯ হাজার ১১৮ টাকার। এতে আছে নগদ টাকা ৩ লাখ ৫০০ টাকা, ব্যাংকে জমা ৩ কোটি ১৮ লাখ ৮৮ হাজার ৬১৮ টাকা, দুটি মোটরগাড়ি ১ কোটি ২ লাখ ২০ হাজার, ইলেকট্রিক পণ্য ৫ লাখ, আসবাবপত্র ৫ লাখ টাকার। এর বাইরে আছে ৩০ ভরি সোনা। স্থাবর সম্পত্তি হিসেবে দেখানো হয়েছে ৫০ লাখ ৭২ হাজার ৩৭০ টাকার। এর মধ্যে কৃষি জমি ২৪ বিঘা ৪ লাখ, ৪তলা বিশিষ্ট দালান ৩৬ লাখ, চা বাগান, রাবার বাগান ও মৎস্য খামার ১০ লাখ ৭২ হাজার ৩৭০ টাকার।

আর তার স্ত্রীর আয়ের কোনো উৎস নেই। কিন্তু সম্পদ বেড়েছে ২৫ দশমিক ২৯ গুণ।অস্থাবর সম্পদ হিসেবে দেখানো হয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখ ৫৩৫ টাকা। এর মধ্যে নগদ ১ লাখ ৭০ হাজার ৫০০ টাকা, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা ১ কোটি ১৫ লাখ ৩০ হাজার ৩৫ টাকা, ইলেকট্রিক পণ্য ৫ লাখ, আসবাবপত্র ৫ লাখ টাকা। এর বাইরে আছে ৩০ ভরি সোনা। যা আগে ছিল না। এবার নতুন করে যুক্ত হয়েছে স্থাবর সম্পত্তি। এতে দেখানো হয়েছে ১৫ লাখ ৫০ হাজার ৭০০ টাকার চা বাগান, রাবার বাগান ও মৎস্য খামার আছে। নির্ভরশীলদের নামে আগে কোনো সম্পদ ছিল না। এবার দেখানো হয়েছে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে ১ কোটি ৬৭ লাখ ৫৪ হাজার ৫৯৬ টাকা জমা আছে।

শেয়ার করুন