২৯ নভেম্বর ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক: উইলিয়ামসনের ১৬২ বলে ৮৬ রানের দারুণ এক ইনিংসে ভর করে এগিয়ে যাচ্ছে নিউজিল্যান্ড। তাকে উপযুক্ত সঙ্গ দিচ্ছেন ফিলিফস। তার রান ৪৩ বলে ৩২। দলীয় ৬৮ ওভারে ৫ ইউকেট হারিয়ে ২৩০ রান। সকালে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গিয়েছিল স্রেফ এক বলে। এরপর প্রথম ইনিংসে নিউজিল্যান্ডের দুটি উইকেট নিতে পেরেছিল স্বাগতিকরা।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের প্রথমটিতে মুখোমুখি হয়েছে বাংলাদেশ ও নিউজিল্যান্ড। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ অলআউট হয়েছে ৩১০ রানে। দ্বিতীয় সেশনেও হলো তাই। শরিফুলের শিকার হয়ে হেনরি নিকোলস আউট হন, পরে ড্যারেল মিচেল আউট হন তাইজুলের বলে। সেটি আরও বাড়তো শেষে যদি উইলিয়ামসনের ক্যাচ না ছাড়তেন তাইজুল।
দ্বিতীয় ইনিংসের চা বিরতি অবধি ৪ উইকেট হারিয়ে ১৬৮ রান করেছে কিউইরা। পরে ব্যাটিংয়ে নামা নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে বোলিংয়ের শুরুটা করেন শরিফুল ইসলাম ও মেহেদী হাসান মিরাজ। এক পেসার নিয়ে খেলতে নামা বাংলাদেশ এই জুটিতে উইকেট পায়নি। বোলিং বদলাতেই বদলে যায় ভাগ্যও।
প্রথম উইকেটটা পান তাইজুল ইসলাম। ১৩তম ওভারে বোলিংয়ে এসে প্রথমে একটি এলবিডব্লিউয়ের জোরালো আবেদন হয়। ওই ওভারেই তাকে সুইপ করতে গেলে ব্যাটের আগায় লেগে ক্যাচ যায় ফাইন লেগে দাঁড়ানো নাঈম হাসানের হাতে। ৪৪ বলে ২১ রান করেন তিনি।
তারপর দ্বিতীয় উইকেটটিও বাংলাদেশের জন্য আসে দ্রুতই। শরিফুলকে সরালেও আরেক প্রান্তে চালিয়ে যাওয়া মিরাজ এবার উইকেট নেন। ফরোয়ার্ড ডিফেন্স করতে গিয়ে সিলি পয়েন্টে শাহাদাৎ হোসেন দীপুর দুর্দান্ত ক্যাচ হয়ে ৪০ বলে ১২ রান করে ফেরেন ডেভন কনওয়ে।
এরপর জুটি বাধেন কেইন উইলিয়ামসন ও হেনরি নিকোলস। তারা দুজনই লাঞ্চে যান। সেখান থেকে ফেরার পরও স্পিনাররা উইকেট নিতে পারছিলেন না। এর মধ্যে ত্রাতা হন শরিফুল ইসলাম।
৪২ বলে ১৯ রান করা নিকোলস উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহানের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর উইলিয়ামসনের সঙ্গী হন ড্যারল মিচেল। দুজন মিলে গড়েন ৬৬ রানের জুটি। সেটি ভাঙেন তাইজুল ইসলাম।
এগিয়ে এসে মিচেল খেলতে যান, তখন বল একটু শর্ট লেন্থে করেন তাইজুল; বল টার্ন করে বেরিয়ে যায়। স্টাম্প ভাঙতে ভুল করেননি সোহান। সেশনটা পুরোপুরি বাংলাদেশের হতে পারতো, কিন্তু হয়নি তাইজুলের জন্যই। নাঈম হাসানের বলে উইলিয়ামসনের ‘লোপ্পা ক্যাচ’ ছাড়েন তাইজুল। হয়তো ইনিংস শেষে এই ক্যাচ মিস করাই আক্ষেপ হয়ে দাঁড়াতে পারে বাংলাদেশ শিবিরে।