২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৩
অমৃত জ্যোতি, মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদরের শতবর্ষী একমাত্র গুরুস্থানে মৃত ব্যাক্তিদের দাফন করতে পারলেও জানাজার নামায আদায়ের কোন নির্ধারিত জায়গা নেই।এতে করে ভুগান্তিতে পরেন মৃত ব্যাক্তির লাশ নিয়ে আসা লোকজন।
মধ্যনগর সদরের প্রাচীন এই গুরুস্থানে বছরের সব মৌসুমেই এলাকাসহ দুরদুরান্ত থেকে মৃতদেহ দাফন কার্য্যের জন্য নিয়ে আসেন এলাকাবাসী। ভরা বর্ষা বা বন্যায় মধ্যনগরে দাফনের স্থান হিসেবে ভাসমান থাকে শুধুমাত্র থানা সংলগ্ন এই গুরুস্থানটি।

পর্যাপ্ত ভূমি থাকলেও নেই সীমানা প্রাচীর এবং মাটি ভরাট না থাকায় দাফনের জায়গারও সংকট রয়েছে। যেটুকু ভাসমান থাকে তাতেও সবুজ তৃণে ভরপুরে। সবুজ কচু সহ অসংখ্য বনাজি গাছের জন্যে পানির তীরবর্ত্তীতেও একাধিক কবর দেখা গেছে।
আগাছা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা সেই সাথে গুরুস্থান সংস্কারের মাধ্যমে একটি দৃষ্টি নন্দন পরিবেশে জানাজা নামাযের নির্ধারিত স্থান তৈরীর দাবী জানান, এলাকার অসংখ্য জনমানুষ।
এরিমধ্যে গুরুস্থানে জানাজার নামযের জায়গা না থাকায় একাধিক মৃতব্যাক্তির নামাযে জানাজা থানা সংলগ্ন মাঠে সম্পাদিত হয়েছে।

মধ্যনগর গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাক্তিবর্গের মধ্যে মোঃআব্দুসালাম, মো ফরিদ মিয়া,ব্যাবসায়ী মো রুহুল আমীন, মো: জসীম উদ্দীন, রবীন মজুমদার,নুর মোহাম্মদ, মধ্যনগর উপজেলা আওয়ামীলীগের দপ্তর সম্পাদক মোঃ আলাউদ্দিন, কৃষক লীগের আহ্বায়ক রুহুল আমীন তালুকদার রব, মৎসলীগের আহ্বায়ক রুহুল আমীন খান,বঙ্গবন্ধু ফাউন্ডেশনের সভাপতি সোনামিয়া তালুকদার,মোশারফ হোসেন মুন্না মিয়াও মোঃআবুল কাশেম’র সাথে কথা বললে তিনিরা বলেন একশত ভাগ সত্য ও সংস্কারের সহিত জানাজার নামাযের স্থান বের করা অত্যান্ত জরুরী।যথাযথ কতৃপক্ষের সুনজরে আনার দাবী জানাই।
মধ্যনগর কেন্দ্রীয় গুরুস্থান পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃহাকিমউদ্দীন বলেন-এটি অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আমরা এনিয়ে আলোচনায় বসবো ও উর্ধ্বতনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করছি।