২২ জুলাই ২০২৩


সুবজের বুকে রূপালি আলোর খেলা দেখতে চলে আসতে পারেন তারাপুর চা বাগানে

শেয়ার করুন

জনি কান্ত শর্মা : সবুজের অপার লীলাভূমি সিলেট। যেদিকে চোখ যায় কেবল সবুজের সমারোহ। চা বাগান আর ছায়া বৃক্ষের সবুজে নয়ন জুড়িয়ে যায়, পাওয়া যায় মানসিক প্রশান্তিও। সিলেট শহরতলীর পাঠানটুলা এলাকায় অবস্থিত তারাপুর চা বাগান। বাগানটিতে প্রবেশের আগে দেখবেন রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। বাগানের প্রবেশপথ দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বা রিকশায় যেতে যেতে ডানে-বাঁয়ে দেখতে থাকুন সবুজের সমারোহ। মনে হবে আপনি সবুজের স্বর্গরাজ্যে চলে এসেছেন। একটু সামনে অগ্রসর হলেই চোখে পড়বে মেডিকেলের হোস্টেল। তার আগেই আছে একাত্তরে ঘটে যাওয়া নারকীয় গণহত্যার স্মারক।

ঘুরতে ঘুরতে রাস্তা ছেড়ে বাগানের ভেতরে প্রবেশ করতে পারেন। দেখবেন চা-কন্যারা পিঠে চমৎকার ঝুড়ি নিয়ে সারি বেঁধে হয় কারখানার দিকে, নয় পাতা কুড়াতে বাগানের সরু পথে ধীরপদক্ষেপে এগিয়ে যাচ্ছে। তাদের কারো কারো পিঠের ঝোলায় শিশুসন্তান বহনের দৃশ্যটিও আপনাকে মুগ্ধ করবে। আপনি যদি বাঁয়ের রাস্তা দিয়ে এগোতে থাকেন তাহলে ৮-১০ মিনিট পায়ে হাঁটলে পাবেন গোয়াবাড়ি বাজার ও সিলেট সিটি কর্পোরেশনের অর্থায়নে তৈরি নান্দনিক ওয়াকয়য়ে। যা তারাপুর চা বাগানরক করেছে আরো সুন্দর। বাগানের মধ্যেদিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই ওয়াকয়য়ে। প্রতিদিন বিকালের দিকে একানে যুবক থেকে বৃদ্ধ সবাই আসেন প্রকৃতির একটু ছোঁয়া পেতে।

সজল নামে এক যুবক বলেন, আমরা এখানে প্রতিদিন আসি। শহরের বিষাক্ত বাতাস থেকে একটু প্রশান্তির জন্য। চা বাগানের মধ্যেদিয়ে এই ওয়াকয়য়ে আসলে অসাধারণ।

মিম নামে একজন বলেন, এখানে মাঝেমধ্যে আসি। বাসার পাশে এমন একটি জায়গা না আসলে কিহিয়। এখানে সকাল ও সন্ধ্যার আগে আসতে ভালো রাগে।

বছরের যেকোনো সময় চা-বাগান ভ্রমণ উপযোগী হলেও জোসনা রাতে সুবজের বুকে রূপালি আলোর খেলা আপনাকে স্বর্গ দর্শনের আনন্দে মোহিত করবে।

শেয়ার করুন