৮ জুলাই ২০২৩
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, কোম্পানীগঞ্জ থেকে ফিরে : কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ৫ নং উত্তর রণিখাঁই ইউনিয়ন। কামাল বস্তি ও লামার গ্রাম এক সময় দুই পাড়ের মানুষের একমাত্র যোগাযোগের মাধ্যম ছিল পাকা ব্রীজ। বছরের পর বছর দুই পাড়ের মানুষকে সংযুক্ত করে রেখেছিল। কিন্তু পরিতাপের বিষয় ২০১৯ সালের অপ্রত্যাশিত পাহাড়ি ঢলে পাকা ব্রীজটি ভেঙ্গে যায়। দুই পারের মানুষের এবং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের যাতায়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। একে অপরের সঙ্গে বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকার কারণে সম্পর্কের উন্নয়নে যেমন পিছিয়ে পড়েছিল ঠিক তেমনি শিক্ষা-দীক্ষা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও পশ্চাৎপদে ছিল। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় তৈরি করা হয় একটি বাঁশের সাঁকো।
তৈরি হওয়া বাঁশের সাঁকোতে দুই পারের মানুষের সম্পর্কের উন্নতি ঘটলেও আবারও এসে বিপত্তি ঘটে চলমান বছর ২০২২ সালে, সাঁকোটি ভেঙে গিয়ে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। এতে বিপাকে পড়েন হাজারো মানুষ ও চার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হাজারো কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উঠে আসলে দৃষ্টিগোচর হয় ইউপি চেয়ারম্যান মাষ্টার ফয়জুর রহমানের।
তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে কথা বলে এক লক্ষ টাকা বরাদ্দের মাধ্যমে স্ব-উদ্যোগে বাঁশ ও কাঠ দিয়ে ৭২ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৬ ফুট প্রস্হ একটি সাঁকো তৈরি করে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছেন। সাঁকোটি দেখতে বেশ সুন্দর পাশাপাশি শিশু ও বয়স্কদের পারাপারের জন্য নিরাপদও। বাঁশের এই সাঁকো দিয়ে পার হচ্ছে শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসী। বাঁশের সাঁকোটি স্থানীয় ব্যক্তিদের সাময়িক ভোগান্তি দূর করলেও সেখানে সরকারিভাবে একটি পাকা সেতুর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
চেয়ারম্যান মাস্টার ফয়জুর রহমান বলেন,জন গুরুত্বপূর্ণ এই ব্রীজটি শুধু স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য নয়,নতুন পর্যটন স্পট তুরুং ছড়ায় পর্যটক যাতায়াতের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।