১৫ মার্চ ২০১৮


মৌলভীবাজারে প্রবাসীর অর্থায়নে তিন গ্রাম আলোকিত

শেয়ার করুন

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : গ্রামীণ জনপদের নাসিরপুর, বরাকেরপুল, কালারগাঁও এলাকার তিনগ্রাম এখন আলোয় আলোকিত। এখন রাত হলেই ওই তিন গ্রামের সড়ক হয় বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত। ল্যাম্পপোস্টের আলোয় উজ্জ্বল হয় সড়কগুলো।

মৌলভীবাজারের খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের বৃটেন প্রবাসী সাইফুর রহমানের অর্থায়নে গ্রামজুড়ে ল্যাম্পপোস্ট বসানো হয়েছে। আর এই ল্যাম্পপোস্টগুলোর আলোয় আলোকিত এখন ওই গ্রামগুলো ।

লন্ডন প্রবাসী সাইফুর রহমান মৌলভীবাজার সদর উপজেলার ১নং খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর গ্রামের বাসিন্দা। তার নিজ এলাকার নাসিরপুর, বরাকেরপুল, কালারগাঁও গ্রামে তার নিজস্ব অর্থায়নে গ্রামবাসীর সুবিধার্থে ল্যাম্পপোস্ট বসিয়েছেন।

এছাড়া যাত্রীদের সুবিধার্থে প্রয়াত সমাজকল্যাণ মন্ত্রী সৈয়দ মহসীন আলীর নামে যাত্রী ছাউনী স্থাপন করেছেন। ব্যস্ত সড়কে এখন যাত্রীরা নিরাপদে গাড়ির অপেক্ষা করবেন। এখন থেকে রাতে গ্রামবাসীর ওই যাতায়াতের সড়ক থাকবে নিরাপদ।

এলাকাবাসীরা জানান, সমাজে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের স্বার্থ ছাড়া কোন কাজ করতে দেখা যায়না। সেখানে প্রবাসী সাইফুর রহমান নিজ অর্থায়নে রোড লাইট জ্বালিয়ে আলোকিত করে অন্যতম দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দীর্ঘদিন পর স্বপ্ন প্রত্যাশার এমন শুভ কাজটি দেখে তারা বেজায় খুশি। এমনটিই হাঁসি মুখে জানালেন গ্রামবাসী।

সদর উপজেলার খলিলপুর ইউনিয়নের নাসিরপুর, বরাকেরপুল, কালারগাঁও। এই তিনটি গ্রামের সড়ক রাতের বেলা ল্যাম্পপোস্টের আলোয় আলোকিত হচ্ছে। ৩ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ২৭টি ল্যাম্পপোস্ট নির্মিত হয়েছে। আর প্রায় ২ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে যাত্রী ছাউনী।

সম্প্রতি এই ল্যাম্পপোস্ট ও যাত্রী ছাউনীর উদ্বোধন করেন মৌলভীবাজার ৩ আসনের সাংসদ ও প্যানেল স্পিকার সৈয়দা সায়রা মহসীন। এসময় তিনি বলেন, প্রবাসী সাইফুর রহমানের মত অন্যান্যদেরও সমাজের এসব উন্নয়নমূলক কর্মকান্ডে এগিয়ে আসতে হবে। তাহলে দেশ উন্নয়নশীল হবে। সাইফুর রহমান একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। এধরণের কাজে সকলের অবশ্যই এগিয়ে আসা উচিৎ।

প্রবাসী সাইফুর রহমান জানান, সরকারি উন্নয়নের পাশাপাশি এলাকাকে আরো সমৃদ্ধি করতে সমাজের বিত্তবানদের এগিয়ে আসাটা প্রয়োজন। নিজে কাজ করলে এলাকার কোন সংকটই আর থাকবেনা। মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন করলে এর প্রতিদান পাওয়া যাবে। এগিয়ে যাবে দেশও।

তিনি আরো জানান, তিনি তার প্রতিটি ব্যবসা থেকে উপার্জিত অর্থের সিংহ ভাগই বরাদ্ধ করেন অসহায় দারিদ্রদের জন্য।

(আজকের সিলেট/১৫ মার্চ/ডি/কেআর/ঘ.)

শেয়ার করুন