২১ জুন ২০২৩
সৈয়দ হেলাল আহমদ বাদশা, গোয়াইনঘাট থেকে : গোয়াইনঘাট উপজেলায় গত এক সপ্তাহ থেকে বারীবর্ষন আর পাহাড়ি ঢলে সৃষ্ট বন্যা স্হায়ী রুপ ধারণ করছে। পানি রাতে কমলে সকালে বাড়ে। গত বছরের মত প্রলয়ঙ্কারী বন্যার আশঙ্কায় শঙ্কিত রয়েছেন গোয়াইনঘাটবাসি।
এক সপ্তাহ ধরে নিমজ্জিত গোয়াইনঘাটের হাওরাঞ্চল। উপজেলার সাথে নির্মনাধীন কয়েকটি ব্রীজের কাজ ধীর গতির কারণে ৭টি ইউপির সরাসরি সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।পানিবন্দী হাওরবাসিরা রয়েছেন চরম দূর্ভোগে। গোয়াইনঘাটের আকাশে সারাদিন বিরাজ করে সন্ধ্যার মত ঘোর অন্ধকার।
বন্যার পানি খুব একটা উঁচুতে না উঠলেও টানা বৃষ্টির কারণে শ্রমজীবী মানুষ কাজে যেতে পারেনি। রাস্তাঘাটে যানবাহন ও লোক চলাচল ছিল কম। বিপাকে ছিল দৈনিক আয়ের উপর নির্ভরশীল নিম্ন আয়ের মানুষরা। গুঁড়ি গুঁড়ি ও টানা বৃষ্টির কারণে ব্যাহত হয় স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। অনেক জায়গায় উপজেলা সদরের সাথে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।জনসাধারণ চরম ভোগান্তিতে পড়েন।নৌযোগাযোগের মাধ্যমে উপজেলা সদরের সাথে সংযোগ সচল থাকে।
এদিকে, গতকাল মঙ্গলবার রাতে থেকে বন্যার পানি কমতে শুরু করায় জনমনে স্বস্তি ফিরলেও বৈরী আবহাওয়া ও থেমে বৃষ্টি হওয়ার কারনে বানভাসি মানুষের মনের আতঙ্ক কাটছে না। স্হায়ী বন্যার শঙ্কায় ভোগছেন বানভাসি মানুষ।
বন্যার আগমনে উপজেলা প্রশাসন বারোটি ইউনিয়নে ৫৬ টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র প্রস্তুত করে রাখা হয় ।তবে চলমান বন্যায় উপজেলার কোথায়ও কারো জান মালের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।