৮ জুন ২০২৩


সিলেটে জাতীয় আদিবাসী যুব সেমিনারের উদ্বোধন

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : ভবিষ্যত সংযোগ অন্তর্ভুক্তিমূলক সমাজ এবং সবুজ জলবায়ুর জন্য আদিবাসী যুবক এর লক্ষ্যে কাপেং ফাউন্ডেশন এর আয়োজনে এবং পাসকপ, পাওয়াঙ্কা তহবিল এএলআরডি এবং অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডস বাংলাদেশ অ্যালামনাই সাপোর্ট গ্রান্ট এর সার্বিক সহায়তায় সিলেটের এক বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এফআইভিডিবি এর কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে “জাতীয় আদিবাসী যুব সেমিনার” ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৮ জুন) সকাল ৯টায় ৩দিন ব্যাপি সেমিনারের উদ্বোধন করা হয়।

 

কাপেং ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক জনাব পল্লব চাকমা এর সভাপতিত্বে ও কাপেং ফাউন্ডেশন এর সমন্বয়কারী ফাল্গুণী ত্রিপুরা এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত যুব সেমিনারে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মানবাধিকার কর্মী ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা সুলতানা কামাল, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক ড: তানজিমুদ্দিন খান, অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ড অফিস বাংলাদেশ এর কান্ট্রি ম্যানেজার ড: তাহমিনা রশীদ, চাকমা সার্কেল চীফ ব্যারিষ্টার রাজা দেবাশীষ রায়, পাসকপ এর নির্বাহী প্রধান গৌরাঙ্গ পাত্র ও এএলআরডি এর নির্বাহী পরিচালক জনাব শামসুল হুদা।

 

বক্তব্যে অতিথিবৃন্দরা বলেন মানবাধিকার কর্মী একটি নির্দিষ্ট আলাদা একটি হতে পারেন না। যার যে পেশা রয়েছে সেখান থেকেই এই কাজ করতে হবে। আমি মানুষ আমি যেভাবে নিজের অধিকারের চিন্তা করি ঠিক সেভাবে অন্য মানুষের অধিকারের চিন্তা করতে হবে। সেই অধিকার আমি দাবী করতে চাই, সেই অধিকার যাতে ক্ষুন্ন না হয় সে জন্য প্রতিবাদ করতে চায়। মানবাধিকার রক্ষা করা সকলের একটি নৈতিক কাজ। তবে এটা কারো পক্ষে একা করা সম্ভাব নয়। সে জন্য সকলের সংঘবদ্ধ হওয়া প্রয়োজন। একজন বাঙ্গালীর যে মানবাধিকার রয়েছে ঠিক সেভাবে আদিবাসীদের মানবাধিকার রয়েছে। একই ভাবে সকলের মানবাধিকার রক্ষা করা আমাদের সকলের দ্বায়িত্ব। যদি সেটা না করতে পারি বা বিশে^র সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারেন তাহলে মানব সভ্যতা আমরা হারিয়ে ফেলব। মানুষের সমাজের মূল কথা হলো আমি সবার সবাই আমার।
উল্লেখ্য যে, বাংলাদেশে বসবাসরত বিভিন্ন অঞ্চলের ২১টি আদিবাসী জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে ৪৫জন যুবক যুবতি উক্ত সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন