২৭ মে ২০২৩
নাছরু আহমদ চৌধুরী : আগামী ২১ জুন অনুষ্ঠিতব্য সিলেট সিটি কর্পোরেশন (সিসিক) নির্বাচনে মহানগরী জুড়ে এখন ভোটের ঝড় বইছে। ৪ নং ওয়ার্ডের জনগণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দিতে চান কাউন্সিল প্রার্থী হাফিজ মাওলানা মুফতি আহমাদুল হক উমামা।
মাওলানা মুফতি আহমাদুল হক উমামার প্রথমিক লেখাপড়া সরকারি কলোনী স্কুল, আম্বরখানা, সিলেট। আরবী সাহিত্য অধ্যয়ন মাদরাসাতুল এসহান উত্তরা, ঢাকা । এর পর হিফজা সমাপন, দাওরায়ে হাদীস (মাস্টার্স) ও ইফতা (মুফতি) সম্পূর্ণ করেন।
তিনি ৪নং ওয়ার্ড নিয়ে আজকের সিলেট ডটকম’কে বলেন, আমি এলাকার উন্নয়ন ও সমাজের কল্যাণ করতে নির্বাচনে এসেছি। সমাজের কল্যাণ করতে হলে জনপ্রতিনিধি হওয়া বা প্রশাসনে যাওয়া প্রয়োজন। আমার ওয়ার্ড’সহ সিসিকের বিভিন্ন ওয়ার্ডে আমরা যে বিষয় দেখে থাকি সেটা হচ্ছে প্রতিটি ওয়ার্ডে ধনী, মধ্যবিত্ত ও গরীব জনগণ থাকেন। গরিবের জন্য আমার হৃদয় সবসময় কাঁধে! মা বোনদের পর্দার আড়ালে থেকে চিকিৎসা’র অনেক অসুবিধা হয় লক্ষ্য করি। আমি নির্বাচিত হলে মা বোনদের জন্য একটি রকাষণশীল হাসপাতাল করবো। একটি মৃত্যু দেহ নিতে গাড়ি পায় না অনেকে, তাদের জন্য আমার ওয়ার্ডে অ্যাম্বুলেন্স থাকবে এবং গরিবের সেবায় ফ্রি নিয়জিত থাকবে । যারা টাকা দিতে পারবেন তারা অল্প কিছু টাকায় এই সেবা নিতে পারবেন।
আমি কোনো রাজনীতির সাথে জড়িত নয়। আমার সাথে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, বিএনপি, ছাত্রদলসহ সবার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। আমি এলাকার উন্নয়ন ও সমাজের কল্যাণ করতে কাজ করে থাকি। ইসলামের সেবামুলক উন্নয়ন কাজে আমি সবসময় নিয়জিত থাকি। বাংলাদেশে যখন প্রথম রুহিঙ্গা আসে তখন আমি ঢাকায় পড়াশোনা করি। আমি ছদ্মবেশে প্রথম রুহিঙ্গা কেম্পে প্রবেশ করি ও সিলেট ঢাকা থেকে প্রায় ৫২ থেকে ৫৫ বার সামাজিক সংঘটনের লোকজন নিয়ে থাদের সেবা করেছি । এইটা আমার প্রথম সামাজিক কাজ ছিলো। এরপর থেকে আমি মানুষের সেবায় আনন্দ পাই। এর আগে আমি আম্বখানা সরকারি কলোনিতে ইমামতি করেছি ও গরিব শিশুদের কুরানের শিক্ষা দিয়েছি। সাপ্তাহে একদিন অসহায় মানুষদের জন্য ফ্রি খাবার ও কুরআন শিক্ষার আয়োজন করি। মানুষের কল্যাণে জনসেবামুলক কাজই এখন আমার রাজনীতি।
তিনি ৪নং ওয়ার্ডের জনগণের উদ্দেশ্যে বলেন, স্মার্ট সিটি বাস্তবায়নে, উন্নয়ন ও শিক্ষাবান্ধব ওয়ার্ড গঠনের জন্য আমার ওয়ার্ডের জনগণ অবশ্যই যোগ্য প্রার্থী দেখে তাদের মহামুল্যবান ভোট প্রদান করবেন।