২২ মে ২০২৩


তবু কাউন্সিলর প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপি নেতারা

শেয়ার করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : সিলেট সিটি করপোরেশন (সিসিক) নির্বাচনের ৪ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও মেয়র মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর নির্বাচন বর্জনের পর দলীয় চাপে রয়েছেন বিএনপিপন্থী কাউন্সিলর ও সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা। নির্বাচনে প্রার্থী হতে যাঁরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ ছিলেন তাঁদের কেউ কেউ এখন আগের অবস্থানে নেই। সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীরাও দ্বিধাদ্বন্দ্বে। ইতোমধ্যে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন বেশ কয়েক জন প্রার্থী।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, বিএনপির কঠোর দলীয় সিদ্ধান্ত এবং আজীবন বহিষ্কারের হুমকি স্বত্বেও দলীয় দলীয় নির্দেশ অমান্য করে সিলেট সিটি করপোরেশনের বিএনপিপন্থী সব কাউন্সিলররা নির্বাচন করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। সিসিকের ২৭ জন সাধারণ কাউন্সিলরের মধ্যে বিএনপিপন্থী মূলত সাতজন। তাঁদের মধ্যে চারজন এখনো নির্বাচনের পথেই হাঁটছেন। বাকি তিনজনের মধ্যে একজন আগেই আওয়ামী লীগে যোগ দিয়েছেন, একজন পদত্যাগ করেছেন, আরেকজন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর রেজাউল হাসান কয়েস লোদী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

সোমবার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধীতা করার জণ্য ১৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী ও বর্তমান কাউন্সিলর আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম মুনিম,  ২১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বর্তমান ও কাউন্সিলর মো. আব্দুর রকিব তুহিন এবং ১নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী বর্তমান ও কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদি রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়ছেন।

সিসিকের ১ নাম্বার ওয়ার্ডের বর্তমান কাউন্সিলর সৈয়দ তৌফিকুল হাদী পাঁচ-ছয় দিন আগে মনোনয়ন ফরম কিনেছেন। তিনি বলেন, ‘দলের চাপ আছে। কিন্তু এলাকার মানুষ কিছুতেই মানছে না। তাদের চাপে মনোনয়ন ফরম কিনেছি।’

সিসিকের ৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর ফরহাদ চৌধুরী শামীমও জানিয়েছেন, নির্বাচন না করে উপায় নেই তাঁর। তিনি বলেন, ‘এলাকার মানুষ আমাকে চারবার নির্বাচিত করেছেন। এখন হুট করে সরে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। এলাকার মানুষ বলছে, ‘আমি তো কোনো দলের মার্কা নিয়ে ভোট চাইনি। তাঁরাও মার্কা দেখে ভোট দেননি। এখন তাঁদের আমি কী বলি?’

১৪ নম্বর ওয়ার্ডের দুইবারের নির্বাচিত কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম মুনিম এখনো নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিষয়ে অটল। তিনি মনোনয়ন ফরমও সংগ্রহ করেছেন। তিনি বলেন, ‘রমজান মাসে ওয়ার্ডের তরুণ, মুরব্বি ও মা-বোনদের সঙ্গে আলাদাভাবে মতবিনিময় করেছি। সবাই নির্বাচন করতে বলছেন।’

১৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এ বি এম জিল্লুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, ‘নমিনেশন ফরম কেনার পর রোবার সেটা জমাও দিয়েছি। তিনবার নির্বাচন করেছি। এলাকার জনগণ আমাকে কখনো খালি হাতে ফেরাননি। তাঁদের দাবির কারণে আমার পিছিয়ে আসার সুযোগ নেই।’

২১ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. আব্দুল রকিম তুহিনও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। দুইবারের নির্বাচিত এই কাউন্সিলর বলেন, ‘আমি যেহেতু আগেই দল থেকে পদত্যাগ করেছি। আমার ক্ষেত্রে দলীয় বাধা আর নেই।’

শেয়ার করুন