১৮ মে ২০২৩


 মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণ ও ধর্ষণের অভিযোগ : মামলা

শেয়ার করুন

নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটের দক্ষিণ সুরমার মেগলাবাজারে মাদ্রাসাছাত্রী অপহরণ ও আটকে রেখে র্ধষণের গুরুতর অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায়
১০মে এসএমপি’র মোগলাবাজার থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ৬ জনের নাম উল্লেখ করে ১১ জনের বিরুদ্ধে মামসলা হয়েছে। যা’ মোগরাবাজার থানার মামলা নং-১০(৫)২৩।
মামলা দায়েরের ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ । অজ্ঞাত কারণে আসামীদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন ছাত্রীর স্বজনরা।
অপহরণ ও র্ধষণ মামলার আসামীরা হলেন, গোলাপগঞ্জ উপজেলার রুইগড় উত্তর গোয়াসপুর গ্রামের ফখরুল ইসলামের পুত্র মামুন আহমদ , চৌঘরি গ্রামের সিরাজ উদ্দিনের পুত্র জাকির আহমদ, রুইগড় উত্তর গোয়াসপুর গ্রামের মৃত আজির উদ্দিনের পুত্র ফখরুল ইসলাম, ঘুষগাঁও গ্রামের রহমান আলীর স্ত্রী রুজি বেগম, গোলাপগঞ্জ উপজেলার শেরপুর গ্রামের জহুরুল হক চৌধুরী ওরফে মানিক মিয়া’র পুত্র বরখাস্তকৃত সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ চৌধুরীসহ অজ্ঞাতনামা ৪/৫জন ।
মামলার অভিযোগে জানা যায়, গোলাপগঞ্জ উপজেলার নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী ৩ মে এসএমপি’র মোগলাবাজার থানার কুচাই পূর্বপাড়া গ্রামে তোর নানা বাড়িতে বেড়াতে আসে। ঐ দিন সন্ধ্যায় ওই ছাত্রী নানা বাড়ির বাইরে যাওয়ার পর আর তাকে পাওয়া যায়নি। অনেক খোঁজাখোঁজির পর মোগলাবাজার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী (নং ৩৮০)করা হয়।

ডায়েরীর সূত্র ধরে পুলিশ ৮ মে গোলাপগঞ্জের বরখাস্ত ইউপি চেয়ারম্যান আশফাক আহমদ চৌধুরীর বাড়ি থেকে একাকী ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে। পরে ছাত্রীর দেওয়া তথ্যমতে এ মামলা করা হয়।
অভিযোগ করা হয়,মামলার এজাহার নামীয় আসামী মামুন ও জাকির জোরপূর্বক ওই ছাত্রীকে অপহরণ করে। পরে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় বিভিন্নস্থানে তাকে সাথে নিয়ে রাত্রীযাপন ও একাধিকবার জোরপূর্বক ধর্ষণ করে।

মোগলাবাজার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এস এম মাইন উদ্দিন মামলার সত্যতা নিশিচত করে জানান, মামলা রেকর্ড হওয়ার পর থেকে আসামীরা আত্মগোপনে চলে গেছে। তাদের গ্রেফতারে পুলিশের তল্লাশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন