৪ মার্চ ২০১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক : শনিবার রাতে সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিকালে র্যাব-৯ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার আজাদ বলেন, আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছি। জিজ্ঞাসবোদে সে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। সে বলেছে- ‘জাফর ইকবাল ইসলামের শত্রু, তাই তাকে মেরেছি’।
হামলার পরপরই ফয়জুরকে আটক করে গণধোলাই দেয় শিক্ষার্থীরা। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। রাতে সেখানেই ব্রিফ করেন আলী হায়দার।
তিনি বলেন, হামলাকারী আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি আছে। সে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বিভ্রান্তিকর তথ্য দিচ্ছে। সে কোনো জঙ্গি সংগঠনের সদস্য কি না এ বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোন তথ্য জানা যায়নি। তদন্তের পর এ বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।
উল্লেখ্য, শনিবার বিকাল সাড়ে ৫টা টায় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠান চলাকালে ড. মুহম্মদ জাফর ইকবালকে পেছন থেকে মাথায় ছুরিকাঘাত করে এক তরুণ। এরপর তাকে সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এরই মধ্যে সেখানে অস্ত্রোপচার শেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় নেওয়া হয়। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছেন সিলেটের ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুল হক।
হামলাকারী ফয়জুর রহমান সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার কালিয়াপন গ্রামের হাফিজ আতিকুর রহমানের ছেলে। পরিবারের সাথে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী কুমারগাঁওয়ের শেখপাড়ার থাকতেন ফয়জুর। তিনি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করেছেন বলে জানা গেছে। ফয়জুর মঈন কম্পিউটার নামে একটি দোকানে কাজ করতো বলে জানা গেছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের একটি দল সিলেট আসছে বলে জানা গেছে।
(আজকের সিলেট/৪ মাচ/ডি/কেআর/ঘ.)