২১ মার্চ ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে হত্যা মামলায় রায়ে তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে পাশাপাশি প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- চাঁদপুর জেলার মতলব থানার বইয়েরা গ্রামের মৃত সিরাজ মিয়ার ছেলে ও বর্তমানে সিলেটের কানিসাইল বাবুল মিয়ার কলোনির বাসিন্দা ঝাড়ু মিয়া, সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বরইকান্দি এলাকার সবুজ মিয়ার ছেলে জাকির এবং মৌলভীবাজারে কুলাউড়া উপজেলার পাঁচপীর গ্রামের আতর মিয়ার ছেলে লাল মিয়া ওরফে লালু।
মঙ্গলবার সিলেট দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. শাহাদৎ হোসেন প্রামাণিক এ দণ্ডাদেশ ঘোষণা করেন।
তবে দণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি-ই পলাতক রয়েছেন এবং তাদের বিরুদ্ধে সাজাপরোয়ানা জারি করা হয়েছে। মামলায় বাদি পক্ষে ছিলেন আদালতের পিপি সরওয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল ও আসামি পক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী ঝর্ণা বেগম।
আদালত সূত্র জানায়, ২০০৭ সালের ২৮ নভেম্বর রাত ৮টার দিকে সিলেট মহানগরের বন্দরবাজারে বাইসাইকেল মেরামতকারী আবুল কালাম (৪০) দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে নিহত হন। তিনি সিলেট মহানগরের কাজিটুলা এলাকার দুলু মিয়ার কলোনির বাসিন্দা ও মৃত ইছরাব আলীর ছেলে। কালাম বন্দরবাজারে একটি দোকান দিয়ে বাইসাইকেল মেরামতের কাজ করতেন।
ঘটনার পর কালামের স্ত্রী সুমনা খাতুন বেদনা বাদী হয়ে সিলেটের কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা (১২৪(১১)২৩) দায়ের করেন। পরে ২০০৮ সালের ৯ মে কোতোয়ালি মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ সাইদ উদ্দিন আদালতে চার্জশিট (নং-৩৩৬/০৮) দাখিল করেন। পরবর্তীতে ২০১১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি একই মামলায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে সম্পূরক চার্জশিট (নং-১২৪/১১) দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রোকনুজ্জামান।
মামলাটি বিচারের জন্য ২০১৩ সালে দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরিত হলে (দায়রা-১৮৫৪/১৩ মূলে) চার্জগঠনের মধ্যদিয়ে বিচারকার্য শুরু হয়। বিচারে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করা হয়।