৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক : সিলেটে ব্যাংক কর্মকর্তা হত্যা মামলায় এক জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৪ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী হলেন রিপন পাল। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বিমল পাল, উত্তম পাল, চিত্ত পাল ও আশীষ পাল। নিহত প্রণজিৎ পাল ছিলেন মৌলভীবাজারস্থ অগ্রণী ব্যাংকের কর্মকর্তা।
সোমবার সকালে সিলেটের দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মো.শাহাদৎ হোসেন প্রামানিক এ রায় ঘোষনা করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন স্পেশাল পি.পি সরওয়ার আহমদ চৌধুরী আবদাল ।
জানা যায়, ২০১৪ সালের ৩০ জুন রাত ৯টায় মৌলভীবাজারে শমশের নগর রোডস্থ চট্টগ্রাম সেনেটারী দোকানের সামনে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। প্রেমঘটিত বিষয়ে সালিশ জনিত বিরেধের জের ধরে প্রণজিত পালকে হত্যা করেদণ্ড প্রাপ্ত আসামীরা। তারা ব্যাংক কর্মকর্তা প্রণজিৎপালকে জোরপূর্বক রিকশা থেকে নামান। এ সময় রিপন পাল ডেগার দিয়ে প্রণজিত পালের বাম উরুতে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। আঘাতের সময় প্রণজিতকে ধরে রাখে অন্য ৪আসামী। পরে স্থানীয়রা ভিকটিমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য মৌলভীবাজার সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করে।
এই বিষয়ে প্রণজিত পালেরন স্ত্রী বাদী হয়ে মৌলভীবাজার মডেল থানায় মামলা করেন। পরবর্তীতে মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে বিচারের জন্য দ্রæত বিচার ট্রাইব্যুনাল সিলেটে প্রেরণ করা হয়।
বিচারান্তে ২২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ট্রাইব্যনাল আসামী রিপন পালকে মৃত্যুদন্ড এবং সহযোগী আসামী বিমল পাল, উত্তম পাল, চিত্ত পাল এবং আশীষ পাল গণকে যাবজ্জীবন কারাদন্ডসহ প্রত্যেক আসামীকে অতিরিক্ত ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডে দন্ডিত করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামীগণ আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে তাদেরকে সাজা পরোয়ানা মূলে কারাগারে গ্রেরণ করা হয়।
আসামীপক্ষের আইনজীবি রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপীল করবেন বলে সাংবাদিকদের জানান।