২২ জানুয়ারি ২০২৩


মধ্যনগরে কুমড়া চাষীদের মুখে হাসি

শেয়ার করুন

মধ্যনগর (সুনামগঞ্জ) সংবাদদাতা: সুনামগঞ্জের মধ্যনগর উপজেলা সদর ইউনিয়নে লক্ষ টাকা ব্যায় করে বানিজ্যিক ভাবে চাল কুমড়া চাষে সপ্ন দেখছেন এক চাষী।বীজ তলায় পাশাপাশি রেখেছেন শসা ও টমেটো।সাজিয়ে তুলেছে জাল টাঙ্গানো মাচায়।

সদর ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের আনোয়ারপুর গ্রামে ৬কাটা জমিতে চাষ করেন চাল কুমড়ার।প্রায় লক্ষ টাকা ব্যায় করে স্বপ্ন দেখছেন লাভের।কৃষক আনোয়ারপুর গ্রামের মৃত উসমান আলীর ছেলে হাবিকুল ইসলাম(৫৫)। তিনি গ্রামের নারীদের কাছ থেকে দেশীয় চাল কুমড়ার বীজ সংগ্রহ করে নব্বই হাজার টাকা খরচ করে সাজিয়ে তুলেন কুমড়ো ক্ষেত।সেচের ব্যাবস্থাও রয়েছে নিজের অর্থে।

কুমড়ো চাষী হাবিকুল ইসলাম দৈনিক ভোরের’কে জানান আমি ৯০হাজার টাকা খরচ করে ৬কাটা জমিতে চাল কুমড়া চাষ করছি। ফলেছেও বেশ, কিন্তু অজানা রোগে কুমড়া নষ্ট হচ্ছে।এপর্যন্ত মাত্র ১৫হাজার টাকা বিক্রি হয়েছে।ভার ফলন হলে আড়াই লক্ষ টাকা বিক্রি আসতে পারে বলে স্বপ্ন বুনচেন এি কৃষক।চাল কুমড়ার কুড়ি ছাড়লেও অধিকাংশ মরে যায়।বাকা হয় বাকা হলে দাম বেশী পাই না। সোজা থাকলে দাম বেশী পাওয়া যাবে।আমি কৃষি দোকান দারদের কাছ থেকে কিছু কিছু ঔষুধ আনি।সরকারী কৃষি অফিসারদের পরামর্শ ও সহায়তা পেলে আশা করি বাম্পার লাভ হবে।

ধর্মপাশা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মীর হাসান আল বান্না-তিনি বলেন প্রধানমন্ত্রী বলেচেন একখন্ড জমিও যেন পতিত না থাকে।কৃষকে স্বাগত জানাই।আমাদের পরামর্শ অব্যাহত থাকবে।চাল কুমড়ার মান সম্পন্ন বীজ পাওয়া যায় এখন। আমার ধারাণা পুষ্টি গুনাগুনের কারণে এমনটি। যথা সম্ভব সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

শেয়ার করুন