২১ জানুয়ারি ২০২৩
মোঃ ফারুক মিয়া : সিলেট সদর উপজেলার চানপুর খেয়াঘাট সুরমা নদীর ডান তীর এল জিইডি রাস্তার শেষ সীমানা ৭ নং মোগলগাঁও ইউনিয়নের নদীর স্থাপনাসহ নদী ভাঙ্গন হতে রক্ষা প্রকল্পের ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন। ড্রেজিং শিল্প নদী অর্থনীতির নতুন দিগন্ত। বর্তমানে প্রকল্প ভিত্তিক নদী ড্রেজিং কার্যক্রম সুরমা নদীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
শনিবার সকাল ১০ টায় সুরমা নদীর ড্রেজিং কাজের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্র মন্ত্রী।
সিলেট জেলার সিলেট সদর ও বিশ্বনাথ উপজেলা দশগ্রাম, মাহতাবপুর ও রাজাপুর পরগণা বাজার এলাকা সুরমা নদীর উভয় তীরের ভাঙ্গন হতে রক্ষা শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় IWM ( Institute of Water Modelling) কতৃক একটি সমীক্ষা প্রকল্প সম্পন্ন করা হয়। উক্ত সমীক্ষার জন্য সিলেট সদরের কুশিগাট হতে সুনামগঞ্জ জেলার দশগ্রাম বাজার পর্যন্ত মোট ২৯.০০ কি.মি মধ্যে ১৫.০৫ কি.মি অংশে ড্রেজিং এর জন্য প্রস্তাব করা হয়েছিল। সমীক্ষা মোতাবেক সুরমা নদী ড্রেজিং করা হলে নদী একটি নির্দিষ্ট চ্যানেলের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হবে এতে নদী ভাঙ্গনের তীব্রতা কমে আসবে সেই সাথে নদী পানি ধারণ ক্ষমতা এবং পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে বন্যার প্রভাব কমে আসবে। উল্লেখ্য যে উক্ত প্রকল্পের আওতায় মোট ২৬.৫০ লক্ষ ঘনমিটার মাটি খননের প্রস্তাব করা হয়েছে। উক্ত প্রকল্পের আওতায় সে সব স্থানে ড্রেজিং চর খনন কাজ বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানা যায়।
কুশিঘাট হতে নোয়াপাড়া নদীর মধ্য খানের চর সিলেট সদরে ৪০০ মিটার, দক্ষিণ সুরমা হতে কুশিঘাট নদীর বাম তীরের চর দক্ষিণ সুরমার ৩৫০ মিটার, নতুন ব্রীজের নিচে ২০০ মিটার, ছড়ার পাড় হতে কালীঘাট ১৫০ মিটার, ক্বীনব্রীজ হতে বড়ইকান্দি ১৩৫০ মিটার, মোল্লাপাড়া থেকে ঘাসিটুলা ৬৫০ মিটার, কানিশাইল থেকে টুকেরবাজার পর্যন্ত ৩২০০ মিটার, নোয়াগাঁও থেকে গোপালগাঁও ১৩৫০ মিটার, হেরাকুলা ৫০০ মিটার, জাঙ্গাইল থেকে বলাউরা ৯৫০ মিটার, রসুলপুর ১২০০ মিটার, আবার রসুলপুর হতে রাজাপুর পরগণা ১১০০ মিটার, লামাকাজী ব্রীজের নিচে ১৫০০ মিটার, মাহতাবপুর থেকে দশগ্রাম ১২৫০ মিটার এবং দশগ্রাম ৯০০ মিটার কাজের খনন কাজ করা হবে।