২২ ডিসেম্বর ২০২২
ডেস্ক রিপোর্ট : খাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশ যেকোনো সময়ের চেয়ে এখন সুবিধাজনক অবস্থানে আছে বলে মন্তব্য করে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইসমাঈল হোসেন বলেছেন, খাদ্য উৎপাদনের এই ঊর্ধ্বমুখী ধারা থেমে থাকার কোনো বিষয় নয়। এটি চলমান। আমরা খাদ্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি। শুধু পরিমাণগত উৎপাদনই নয়, এর পুষ্টিগত গুণাগুণকেও গুরুত্ব দিচ্ছি।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটে আঞ্চলিক পর্যায়ে খাদ্য গ্রহণ নির্দেশিকা এবং পুষ্টিবার্তা প্রচার বিষয়ক কর্মশালা ও আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব আরও বলেন, খাদ্যের অপচয় রোধে সবাইকে সচেতন হতে হবে। প্রতিদিন একই ধরনের খাবার না খেয়ে একেক দিন একেক ধরনের খাবার খেলে শরীরে পুষ্টির চাহিদা মেটে। তবে পুষ্টিগুণ ধরে রাখার জন্য তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করা জরুরি।
সিলেট সার্কিট হাউসের সম্মেলন কক্ষে খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট, খাদ্য মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) মিটিং দ্যা আন্ডার নিউট্রিশন চ্যালেঞ্জ প্রকল্পের উদ্যোগে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
তিনি বলেন, সুষম খাদ্যের পাশাপাশি খাদ্য অপচয়রোধ ও কৃষিজ ও মৎস্য খামারের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।
সচিব আরও বলেন, আমাদের উদ্দেশ্য তিনটি। প্রথমটি হচ্ছে খাদ্য নিরাপত্তা, দ্বিতীয়টি নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের দ্বারা খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সর্বশেষ খাদ্য নিয়ে চর্চা করা এবং জ্ঞান আহরোণ করা। এজন্য বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছে।
এতে সভাপতিত্ব করেন সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান ও সঞ্চালনায় ছিলেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের গবেষণা কর্মকর্তা (পূর্ব সতর্কীকরণ ও কৃষি টেকসই শাখা) মো. মেহেদী হাসান সোহাগ।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিট মহাপরিচালক (অতিরিক্তি সচিব) মো. শহীদুজ্জামান ফারুকী, সিলেটের বিভাগীয় কমিশনার ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন, ন্যাশনাল গভর্নেস পলিসি অ্যাডভাইজার, এফএও মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেন, সিলেট সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি আশফাক আহমদ, সিলেট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক নয়ন জ্যোতি চাকমা, সিলেট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অঞ্জন কুমার দাস, খাদিমনগর এলএসডি ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন।