১৪ নভেম্বর ২০২২
ক্রীড়া ডেস্ক : টি টোয়েন্টিতে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এই মহুর্তে ইংল্যান্ড কিংবা সিলেটে সবচেয়ে বেশি মাতামাতি হচ্ছে যাকে নিয়ে- তিনি হচ্ছে ইংলিশ অলরাউন্ডার মঈন আলী।বিশ্বজয়ের অন্যতম নায়ক মঈন আলী সিলেট তথা বাংলাদেশের জামাই হিসেবে ব্রিটেনের বাংলা কমিউনিটিতে অধিক পরিচিত। সারা ক্রিকেট দুনিয়ায় এখন প্রশংসায় ভাসছেন বিশ্বকাপজয়ী দলের এই সদস্য!
ফাইনালে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে ১৩ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে চ্যাম্পিয়ন হতে অবদান রেখেছেন মঈন।
বিশ্বসেরা হওয়ার অনুভূতি কেমন জানতে চাইলে এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘এটা আমার ক্রিকেটর ক্যারিয়ারে সেরা দিনগুলোর একটি। আমি মনে করি, দল হিসেবে এটা আমাদের প্রাপ্য। লম্বা সময় ধরে আমরা দারুণ ক্রিকেট খেলেছি। অবশ্যই কখনো কখনো পারিনি। তবে সেমিতে এবং রোববার দুর্দান্ত পাকিস্তান দলের বিপক্ষে জিততে পারার অনুভূতি দারুণ। বিশেষ করে পরিবার এবং ভক্তদের সামনে জিততে পারার অনুভূতি বিশেষ কিছু। এটা মূলত নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকার ব্যাপার।’
মঈন আলীর আত্মীয়তার সূত্রেই বাংলাদেশের সঙ্গে বাঁধা। তিনি যে সিলেট তথা বাংলাদেশের জামাই! মঈন আলীর স্ত্রী ফিরোজা হোসেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত। এক সময় সিলেট নগরীর পীর মহল্লা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন ফিরোজার বাবা এম হোসেন ও তাঁর স্ত্রী। এরপর সপরিবারে ইংল্যান্ডে থিতু হন।
সেখানেই জন্ম ফিরোজার। মঈনের সঙ্গে পরিচয়, বন্ধুত্ব। এরপর বিয়ে। ৩৪ বছর বয়সী পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত এই ইংলিশ অলরাউন্ডার বিশ্বজয়ের নায়কও।
শুধু পারিবারিক সম্পর্কের কারণে নয়, মঈনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্কটা অবশ্য অনেক পুরোনো। ২০০৫ সালে ইংল্যান্ড অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে এসেছিলেন বাংলাদেশে খেলতে। এরপর ২০১০ সালে মোহামেডান ক্লাবে সাকিব-তামিমদের সতীর্থ হিসেবে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে খেলেছেন। ২০১৩ সালে বিপিএলে খেলেছেন দুরন্ত রাজশাহীর হয়ে।ইংল্যান্ডের হয়ে ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সফর করেছেন। সর্বশেষ চলতি বছরে ফেব্রুয়ারিতে বিপিএলে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানসের হয়ে সিলেটে শ্বশুরবাড়ির মাঠে খেলেছেন বিশ্বকাপজয়ী এই অলরাউন্ডার।