১ নভেম্বর ২০২২


মধ্যনগর সদরের প্রধান সড়কে কাচাঁবাজার; সীমাহীন ভুগান্তি

শেয়ার করুন

অমৃত জ্যোতি, মধ্যনগর প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের নবগঠিত মধ্যনগর সদরের প্রধান রাস্তার সিংহভাগই কাঁচামালের দখলে। ব্যাহত হচ্ছে জনচলাচল। রাতপোহালেই শুধু দেখা মিলে প্রধান সড়কে প্রতিনিয়তই কাঁচামালের অসংখ্য দোকান পাট। মধ্যনগর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বর থেকে ফেরিঘাট পর্যন্ত সরকারী রাস্তা প্রায় সবটুকুই কাঁচামাল দোকানীদের দখলে। সরকারী রাস্তার কোন নিজস্বতার বালাই নেই বল্লেই চলে।

কাচামালের পসরা সাজিয়ে বসেন বিত্রেতাগণ, কিন্তু জলচলে ভুগান্তি দেখলেও তারা আছেন তাদের ব্যবসা নিয়েই ব্যস্থ। রাস্তার উপরেই থাকে কাচামাল ভর্তি সরঞ্জাম, বস্তা ও ক্যারেট। যত্রতত্র বসে চলে বিক্রি, চলাচলের ঘটে ব্যাপক ভুগান্তির সীমাহীন যন্ত্রনা, শনিবারের হাটে অজস্র জনতা পড়েন দুর্বিপাকে।

প্রায় ৫০ফুটের অধিক প্রস্থ্যের রাস্তা থাকলেও কোন মালবাহী ট্রলি, মোটরসাইকেল যাতায়াতের থাকে না রাস্তা। মালমাল নিয়ে বাজারের একপ্রান্ত থেকে অন্যপ্রান্তে মালামাল নেয়ার কোন ব্যাবস্থাই থাকে না শনিবারে। বাজারের কাচামালের দুর্গন্ধযুক্ত ময়লার যেন বলার শেষ নেই। একাধিক কাঁচামালের দোকানীর সাথে কথা বললে জানা যায়-নির্ধারিত কোন কাচামহলের শেড না থাকায় এমনটা। অন্যদিকে বাজারের প্রধান সড়কটির সৌন্দর্যের কমতি ও হ-য-ব-র-ল
পরিবেশ ভাসমান রয়েছে। পলিথিন কাগজ টাঙ্গিয়ে অগোছালো ছাওনীতে বেমানান সেজেছে মধ্যনগর উপজেলা সদরের প্রধান রাস্তাটির।

সুধীজনের একজন মোঃআবু হেনা তালুকদার-বলেন এলোপাতাড়ি ভাবে কাচামালের বাজারটিতে প্রতিদিন ছাত্র/ছাত্রী, যানবাহন ও জনচলাচলের ব্যাপক বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে,উপজেলা প্রশাসন তথা বাজার কমিটির কাছে জোর দাবী জানাই অচিরেই মহলটি নিদিষ্ট জায়গায় স্থানান্তর করার জন্য।

মধ্যনগর বাজার কমিটির সভাপতি অমরেশ রায় চৌধুরী বলেন-আমাদের বাজারে জায়গার সংকটের কারণে এমনটা, তবে একটি বহতল মার্কেট নির্মাণের কথা রয়েছে। এটি হলে সমাধান হতে পারে।

মধ্যনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃনাহিদ হাসান খান বলেন-বিষয়টি অতীব জন-গুরুত্বপূর্ণ,বাজারের প্রধান রাস্তার নিজস্বতা ফিরিয়ে আনতে অবশ্য লক্ষ্য রয়েছে উপজেলা প্রশাসনের। বর্ষার পানিটা সরে গেলেই কাঁচাবাজারটি স্থানান্তরের ব্যবস্থা করবো।

শেয়ার করুন