২৩ আগস্ট ২০২২
নিজস্ব প্রতিবেদক : ইতিমধ্যে সিলেটের উন্নয়নে ‘সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০২২’ এর খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। সিডিএ বা কেডিএ অনুসরণে এটা সিলেটের উন্নয়নের জন্য সিডিএ করা হয়েছে যাতে সিলেটের সিটি কর্পোরেশন এলাকা বা পারিপার্শ্বিক এলাকার উন্নয়ন করা যায়।
বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম বলেছেন, এটা সিলেট শহর বিশেষ করে এখন সিলেট শহর ও আশেপাশে বেশ কিছু খুবই অপরিকল্পিতভাবে অনেক বিল্ডিং বা বিভিন্ন নির্মাণ হচ্ছে। যার ফলে শহরের সৌন্দর্য ও যাতায়াত বা কনজেশনটা আনপ্ল্যানড হয়ে যাচ্ছে। সে জন্য সিলেট শহরকে পরিকল্পিত শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য এ আইনটির খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দিয়ে দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সিলেট বিভাগে উন্নীত হওয়ার ফলে ক্রমবর্ধমান হারে নগরায়ন সৃষ্টি হচ্ছে। নগরের আওতাধীন অনেক স্থানই আকর্ষণীয় ট্যুরিস্ট স্পট গড়ে তোলার অনুকূল অবস্থা বিদ্যমান রয়েছে। এ প্রেক্ষাপটে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাকে সামনে রেখে সিলেটের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান সংরক্ষণ এবং পরিকল্পিতভাবে উন্নয়নের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি।
সম্প্রতি সিলেট নগর এবং সংলগ্ন এলাকায় ব্যাপক এবং অপরিকল্পিত উন্নয়ন নানাবিধ সমস্যা সৃষ্টি করছে। পরিবেশ-সংকটপূর্ণ এলাকায় আবাসিক ও বাণিজ্যিক প্রকল্প বাস্তবায়ন, অপরিকল্পিতভাবে হোটেল, আবাসিক হোটেল, মোটেল, স্টুডিও, অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ, বহুতল ভবন নির্মাণ ইত্যাদি এ সমস্যার মূল কারণ দেখা দিয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হচ্ছে।
এদিকে, মন্ত্রিসভায় সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইনের খসড়া নীতিগত অনুমোদন দেওয়ায় সিলেটবাসীর পক্ষ হতে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, আধ্যাত্মিক ও পর্যটন নগরী সিলেট অত্যন্ত সুন্দর একটি শহর। সিলেটে ইতিপূর্বে অনেক পুকুর ও জলাশয় ছিল। কিন্তু সম্প্রতি জলাশয়, পুকুর ভরাট করে পরিকল্পনাহীনভাবে যত্রতত্র ঘর-ভাড়ি ও বিল্ডিং তৈরির ফলে যানজট, জলাবদ্ধতা সৃষ্টিসহ সিলেটের প্রাকৃতিক পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।